উপজেলায় নোয়াখালীর প্রার্থীরা বিধি-বিধান কতটুকু মানছেন ?

  • আপডেট সময় শনিবার, মে ২৫, ২০২৪
  • 71 পাঠক

————————————————————————

মনগড়া প্রচারণা ?

————————————————————————-

দিশারী ডেস্ক। ২৫ মে, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ।

২৯ মে নোয়াখালীর সদর, বেগমগঞ্জ ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলায় অনুষ্ঠিত হতে চলছে উপজেলা পরিষদ নির্বাচন। এসব উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে প্রচার, প্রচারণায় নিয়ম নীতির যেন কোন বালাই নেই।

অনেকটাই মনগড়া ও ইচ্ছেমতো প্রচারণায় চলছে এ জেলায়। যে যার মতো করে, ব্যস্ত নিজের প্রচার-প্রচারণায় । কোথাও কোথাও উঠোন বৈঠকের নামে সমাবেশ ও মিছিল হচ্ছে প্রকাশ্যে রাস্তায়।

ইতোপূর্বে, প্রচার কাজের লক্ষ্যে কোন ওয়ার্ডে কোন প্রার্থীর একাধিক কার্যালয় না থাকার বিধান থাকলেও সদর, কোম্পানীগঞ্জ ও বেগমগঞ্জ উপজেলার প্রায় কোথাও এ অবস্থা পরিলক্ষিত হয়নি ।

সরেজমিনে, এসব উপজেলার প্রায় প্রার্থী প্রতিটি ইউনিয়নের, প্রতিটি ওয়ার্ডে একাধিক কার্যালয়ের মাধ্যমে নিজেদের প্রচার করতে দেখা গেছে। প্রতিটি কার্যালয়ের সংযুক্ত কর্মীরা স্বস্ব প্রার্থীর কাছ থেকে কার্যালয় খরচের নামেও ভাগিয়ে নিচ্ছেন নগদ আর্থিক সুৃবিধা। এর ফলে প্রায় প্রার্থীই নির্বাচন কমিশনের বিধি-বিধানের বাইরে খরচ করতে হচ্ছে অতিরিক্ত অর্থ। কিছু প্রার্থী অন্য প্রার্থীর মনগড়া প্রচারের জবাব দিতে গিয়ে দিনের পর দিন অযথা কিছু কার্যালয়ও চালাতে হচ্ছে। একপর্যায়ে, আর্থিকভাবে চরম হিমশিমও সামাল দিতে হচ্ছে তাদের।

এছাড়া, এর আগে প্রার্থীদের প্রচার কাজে বিভিন্ন নির্বাচনে সাদা কালো প্রকাশনার বদলে বর্তমানে রঙ্গিন লিফলেট, ব্যানার, পোষ্টারের বিধি-বিধান যোগ করার ফলে প্রার্থীদের মার্কার প্রচার কাজেও ব্যয় করতে হচ্ছে আগের চেয়ে কয়েকগুণ বেশি অর্থ। ফলে এ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে একজন, ভাইস চেয়ারম্যান একজন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে একজন বিজয়ী হলেও পরাজিতরা আর্থিকভাবে কম দৈন্যতার শিকার হবেননা বলে মনে করছেন সচেতন ভোটাররা।

তারা মনে করেন, ক্ষেত্রবিশেষে কিছু পরাজিত প্রার্থী বিজয়ীদের চেয়ে আরো বেশি অর্থ ব্যয় করার সত্যতা রয়েছে বিগত বিভিন্ন পর্যায়ের নির্বাচনে। এবারও তার ব্যত্যয় হবে বলে তারা মনে করেননা।

অপরদিকে, যত্রতত্র পোষ্টার লাগানোর বিধি নিষেধ কার্যকর না থাকায় জেলার প্রতিটি উপজেলায় বৈদু্্যতিক পিলার, গাছ, দোকান-পাট, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের দেয়াল, সরকারী ও বিভিন্ন বেসরকারী স্থাপনায় পোষ্টার লাগানোর ফলে সেসব স্থানে অপরিচ্ছন্নতার আভাষ দেখা গেছে।

জেলা শহরের সচেতন এক ভোটার বলেছেন, মনগড়া প্রচার ও প্রকাশনার ফলে কিছু প্রার্থীর মধ্যে এখন অর্থের প্রতিযোগিতা বেড়ে চলছে। ফলে যেসব প্রার্থী নিজের সমর্থক ও কর্মীদের অর্থের যোগান দিতে ব্যর্থ হবেন চেয়ারম্যান, ভাইস-চেয়ারম্যান হওয়ার মতো যোগ্যতা থাকার পরেও অর্থের কাছে ধরাশায়ী তারাই হবেন।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!