০৪:১৩ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৫

মাইজদীতে ব্যবসায়ী সোহেলের সুনাম নষ্টের চেষ্টা ?

  • Akash Md. Jasim Editor
  • আপডেট: ০৫:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ১৯৫

দিশারী ডেস্ক। ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহেল আহছানের ব্যবসায়িক সুনাম ও সুখ্যাতি বিনষ্টের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন হোটেল ভ্যালেন্টাইন, স্বপ্ন ও মেহরান ডাইনের কর্মরতরা।

———————————————————————-

৫ শতাধিক কর্মচারীদের অভিযোগ

———————————————————————
রোববার ( ২ ফেব্রুয়ারি ) রাতে মেহরান ডাইনে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন তারা। তারা বলেন, সুদীর্ঘকাল হতে একজন প্রবাসী হিসেবে সৌদি আরবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন সোহেল। বাংলাদেশে ও সৌদি আরবে তিনি মেধা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিলে-তিলে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

তারা বলেন, একজন দূরদর্শী উদ্যোক্তা হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে ব্যবসায়িক পরিধি বিস্তার করে সফলতার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। তার বিভিন্নপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

এ সময় তারা বলেন, সোহেল আহছানের ব্যবসায়িক অভাবনীয় সফলতায় সমাজের কিছু মানুষ ইর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

তারা বলেন, জনৈক হারুন রশিদ ও ফাহমিদাগং প্রবাসে নিজেদের একটি হোটেল পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত পুঁজি ও আর্থিক যোগানের অনুরোধ করেন। এতে সোহেল আহছান সরল বিশ্বাসে বিভিন্ন দপে ৪ কোটি টাকা ব্যবসায়িক লভ্যাংশসহ ফেরত প্রদানের শর্তে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিনিয়োগ করেন।

পরবর্তীতে, সৌদি আইনানুযায়ী ওই হোটেলের বৈধ অনুমোদন না থাকায় সৌদি প্রশাসন হোটেলটি বন্ধ করে দেয়। এরপর সোহেল তার ওই বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত চাইলে হারুনগংরা তা দিতে অস্বীকার করেন।

কর্মচারীরা দাবি করেন, সোহেল আহছান তার বিনিয়োগকৃত টাকার জন্যে সৌদি আরবের আদালতে মামলা করেন। একপর্যায়ে, হারুনগংরা সৌদী আরব ছেড়ে পালিয়ে দেশে চলে আসেন। এছাড়া সোহেল আহছানরা ওই হারুনগংদের সংঘটিত প্রতারনার বিরুদ্ধে ঢাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতেও মামলা দায়ের করেছেন বলে দাবি করেন।

প্রতিবাদ বক্তব্যে কর্মচারীদের পক্ষে এডভোকেট আজগর আলী আরজু, সোহাগ আহছানসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাইজদীতে ব্যবসায়ী সোহেলের সুনাম নষ্টের চেষ্টা ?

আপডেট: ০৫:০৫:২০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

দিশারী ডেস্ক। ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

নোয়াখালী জেলা শহর মাইজদীর বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সোহেল আহছানের ব্যবসায়িক সুনাম ও সুখ্যাতি বিনষ্টের বিষয়ে অভিযোগ করেছেন হোটেল ভ্যালেন্টাইন, স্বপ্ন ও মেহরান ডাইনের কর্মরতরা।

———————————————————————-

৫ শতাধিক কর্মচারীদের অভিযোগ

———————————————————————
রোববার ( ২ ফেব্রুয়ারি ) রাতে মেহরান ডাইনে সাংবাদিকদের কাছে এমন অভিযোগ করেন তারা। তারা বলেন, সুদীর্ঘকাল হতে একজন প্রবাসী হিসেবে সৌদি আরবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন সোহেল। বাংলাদেশে ও সৌদি আরবে তিনি মেধা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে তিলে-তিলে বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

তারা বলেন, একজন দূরদর্শী উদ্যোক্তা হিসেবে অত্যন্ত দক্ষতা ও সুনামের সাথে ব্যবসায়িক পরিধি বিস্তার করে সফলতার শীর্ষে অবস্থান করছেন তিনি। তার বিভিন্নপ্রতিষ্ঠানে প্রায় ৫ শতাধিক মানুষের কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে বলেও দাবি করেন তারা।

এ সময় তারা বলেন, সোহেল আহছানের ব্যবসায়িক অভাবনীয় সফলতায় সমাজের কিছু মানুষ ইর্ষান্বিত হয়ে তার বিরুদ্ধে নানামুখী ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়েছে।

তারা বলেন, জনৈক হারুন রশিদ ও ফাহমিদাগং প্রবাসে নিজেদের একটি হোটেল পরিচালনার জন্য পর্যাপ্ত পুঁজি ও আর্থিক যোগানের অনুরোধ করেন। এতে সোহেল আহছান সরল বিশ্বাসে বিভিন্ন দপে ৪ কোটি টাকা ব্যবসায়িক লভ্যাংশসহ ফেরত প্রদানের শর্তে চুক্তিবদ্ধ হয়ে বিনিয়োগ করেন।

পরবর্তীতে, সৌদি আইনানুযায়ী ওই হোটেলের বৈধ অনুমোদন না থাকায় সৌদি প্রশাসন হোটেলটি বন্ধ করে দেয়। এরপর সোহেল তার ওই বিনিয়োগকৃত টাকা ফেরত চাইলে হারুনগংরা তা দিতে অস্বীকার করেন।

কর্মচারীরা দাবি করেন, সোহেল আহছান তার বিনিয়োগকৃত টাকার জন্যে সৌদি আরবের আদালতে মামলা করেন। একপর্যায়ে, হারুনগংরা সৌদী আরব ছেড়ে পালিয়ে দেশে চলে আসেন। এছাড়া সোহেল আহছানরা ওই হারুনগংদের সংঘটিত প্রতারনার বিরুদ্ধে ঢাকায় মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট আদালতেও মামলা দায়ের করেছেন বলে দাবি করেন।

প্রতিবাদ বক্তব্যে কর্মচারীদের পক্ষে এডভোকেট আজগর আলী আরজু, সোহাগ আহছানসহ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।