আকাশ মো. জসিম । ৬ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।
রাজনীতিতে যখন বিরোধী শক্তি থাকেনা, তখন নিজেরা নিজেদের আভ্যন্তরীন লোভ, লালসা, শক্তিপ্রদর্শন ও দখলদারিত্বের আধিপত্য মতবাদের বিশ্বাসে পরষ্পর বিরোধী রাজনীতিতে লিপ্ত হতে হয় । একটাপর্যায়ে, নিজের দলীয়রাই নিজের দলীয়দের প্রাণ খোয়ায়।
রংপুরের বদরগঞ্জে একটি দোকান ঘরকে কেন্দ্র করে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে লাভলু মিয়া নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলে শনিবার সন্ধ্যেয় তিনি মারা যান। লাভলু মিয়া রাজরামপুর গ্রামের মৃত মহসিন আলীর পুত্র। তিনি পেশায় ইটভাটা ব্যবসায়ী ছিলেন। শনিবার দুপুর ১২টার দিকে বদরগঞ্জ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার এলাকায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
আওয়ামীরাও একটা পর্যায়ে বিরোধী দলকে মাঠশূণ্য করে নিজেরাই নিজেদের স্বার্থ সুবিধায় স্বীয় শত্রু নিপাতে হত্যাকান্ডে লিপ্ত হয়েছিল। ফেনীতে নিজাম হাজারীর প্রকাশ্যে সন্ত্রাসী তান্ডবে উপজেলা চেয়ারম্যান ও যুবলীগ নেতা একরামকে জ্বলেপুড়ে হতে হয়েছিল ছাঁই। নরসিংদীতে প্রাণ দিতে হয়েছিল একজন জনপ্রিয় মেয়রকেও। ঢাকায় নুরনবী শাওনরা যুবলীগের এক নেতাকে গুলি করে হত্যা করার পরেও শেখ হাসিনা তাকে ভোলার এমপি পদের পুরষ্কার দেয়। রংপুর এলাকায় আওয়ামী প্রেতাত্ম্যে লিটন নামের একজন সংসদ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছিল। ওই আমলে বিরোধী দল নয়, নিজের দলের মধ্যেও সংঘটিত হয়েছিল, শত-শত রাজনীতির গ্রুপিংয়ের বলিদানের খবরাখবর।
আমরা বিএনপির রাজনীতির কাছে আশা করি, এমন ঘটনার কবর দিতে নিশ্চয় রাজনীতিতে বাকশাল নয়, বহুদলীয় রাজনীতির শক্তি, সমর্থন যে কোন দলের গণতন্ত্রকে করে বলিয়ান, শক্তিমান ও কীর্তিমান। যাতে রাজনীতি ফিরে পেতে পারে হারানো জীবনের মহিয়ান, গরিয়ান, মহামান।
সম্পাদক ও প্রকাশক।
Leave a Reply