আতিকুর রহমান রুমন ।। ২০ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।
২০ নভেম্বর । জনতার আস্থার বাতিঘর তারেক রহমানের জন্মদিন। আজকের এইদিন শুধু একজন জননেতার জন্মদিন নয়, একটি অবিচল বিশ্বাসের, এক অদম্য সাহসের, এক স্বপ্নবাহী নেতৃত্বের পুনর্জাগরণের দিন। তারেক রহমান শুধু বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান নন ; তিনি দেশপ্রেমে উজ্জ্বল প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের প্রতীক। ফ্যাসিবাদী প্রতিপক্ষের অমানবিক প্রতিহিংসা, ষড়যন্ত্র ও অবিচারের বোঝা বুকে নিয়েও তিনি মানুষের সেবা করার অঙ্গীকার থেকে কখনো সরে যাননি। সুদূর প্রবাস থেকে আজও দলকে পরিচালনা করছেন দূরদর্শিতা, মমতা ও অবিচল দায়িত্ববোধ দিয়ে।
২০ নভেম্বর তার জন্মদিন এলে তাই হৃদয়ের গভীর থেকে একটাই প্রার্থনা বেরিয়ে আসে- এই মহৎ মানুষের জীবন হোক আলোকিত, তার পথচলা হোক বিজয়ের এবং তার প্রত্যাবর্তন হোক বাংলাদেশের নতুন আশার সূর্যোদয়।
তারেক রহমানের রাজনীতি শুরু হয়েছিল দায়িত্বের জায়গা থেকে, কিন্তু সময়ের পরিক্রমায় সেটি রূপ নিয়েছে এক দর্শনে, এক মানবিক রাজনৈতিক চেতনায়। তার কাছে রাজনীতি মানে ক্ষমতার চেয়ার নয়, মানুষের কল্যাণ। তিনি যেভাবে দেশের সাধারণ মানুষ, কর্মজীবী শ্রেণি, তরুণ সমাজ এবং পশু-পাখির মতো নীরব প্রাণীদের প্রতিও ভালোবাসা দেখিয়েছেন, তা তাকে এক অনন্য চরিত্রে রূপ দিয়েছে। রাজনীতি, মানবতা ও দেশপ্রেম- এই তিনের সীমানা তার জীবনে একবিন্দুতে মিলেছে।
—————————————————————————————————————————————————————
তারেক রহমানের মধ্যে যেমন মানবিক কোমলতা আছে, তেমনি প্রশাসনিক দৃঢ়তাও প্রবল। দলের অভ্যন্তরে কোনো অনিয়ম বা শৃঙ্খলাভঙ্গ তিনি সহ্য করেন না। একদিকে তিনি হাসিমুখে কর্মীর কাঁধে হাত রাখেন, অন্যদিকে প্রয়োজন হলে সেই কর্মীর ভুল ধরতেও দ্বিধা করেন না। এই ভারসাম্যপূর্ণ নেতৃত্ব তাকে আলাদা করে তোলে অন্য সব রাজনীতিকের চেয়ে।
—————————————————————————————————————————————————————
ব্যক্তিজীবনে তার সরলতা, বিনয় ও পারিবারিক মূল্যবোধও সমান প্রশংসনীয়। মা বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি তার শ্রদ্ধা, পরিবারের প্রতি ভালোবাসা এবং তার নম্র আচরণ- সব মিলিয়ে তিনি মানুষের কাছে ‘নেতা’ নন, বরং ‘আপনজন’। তিনি জানেন, রাজনীতি মানে জনগণের সঙ্গে সম্পর্কের রাজনীতি। বিলাসবহুল জীবনযাপন নয়- তিনি বেছে নিয়েছেন নিঃশব্দ দায়িত্ববোধের জীবন। যিনি ক্ষমতার জন্য রাজনীতি করেন না, বরং রাজনীতিকে দেখেন সেবার মহাসাধনা হিসেবে।
আজকের বাংলাদেশে যখন মানুষ বিভ্রান্ত, হতাশা ও অনিশ্চয়তায় ঘেরা- তখন তারেক রহমান যেন এক আশার বাতিঘর। তিনি সেই মানুষ, যিনি বিশ্বাস করেন, জাতি কখনও পরাজিত হয় না- যদি তার তরুণেরা আদর্শে অটল থাকে, যদি নেতারা সৎ থাকেন এবং যদি মানুষের ভালোবাসা রাজনীতির কেন্দ্রবিন্দু হয়। তার রাজনীতি প্রতিশোধের নয়- এটি পুনর্গঠনের রাজনীতি।
তার স্বপ্ন, একটি ন্যায়ভিত্তিক বাংলাদেশ- যেখানে মানুষ ভয়হীনভাবে বাঁচবে, যেখানে রাষ্ট্র হবে নাগরিকের অভিভাবক, নয় শাসক।
২০ নভেম্বর তাই কেবল একটি জন্মদিন নয় ; এটি এক বিশ্বাস, এক প্রেরণা, এক নব সূচনার দিন। শুভ জন্মদিন, মানবতার প্রতীক তারেক রহমান- বাংলাদেশের ভবিষ্যতের দীপ্ত বাতিঘর।
লেখক : সিনিয়র সাংবাদিক, আহ্বায়ক, আমরা বিএনপি পরিবার ও সদস্য, বিএনপি মিডিয়া সেল।
Leave a Reply