দিশারী ডেস্ক।। ২৮ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
নোয়াখালী-২ (সেনবাগ ও সোনাইমুড়ীর আংশিক) আসনে স্বতন্ত্র (বিদ্রোহী) প্রার্থী কাজী মফিজুর রহমানের পক্ষে নির্বাচনী কর্মকাণ্ড পরিচালনা ও সংগঠন বিরোধী কর্মকান্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী ও ড.নজরুল ইসলাম ফারুকসহ ১৮ নেতাকর্মিকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে বিষয়টি নিশ্চিত করেন জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলো। এর আগে, মঙ্গলবার বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভীর স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
বহিষ্কৃত অন্য নেতারা হলেন বিএনপির নেতা এডভোকেট সাখাওয়াত উল্যাহ লিটন, মমিন উল্যাহ চেয়ারম্যান, মির্জা মো.সোলাইমান, মোয়াজ্জেম হোসেন সেলিম, গোলাম হোসেন খন্দকার, উপজেলা বিএনপির সদস্য ওবায়দুল হক চেয়ারম্যান, আবুল কালাম আজাদ, নুরুজ্জামান চৌধুরী, আবু জাহের চৌধুরী জাফর, শাহেদুল করিম মারুফ, মাস্টার দলিলুর রহমান, সেনবাগ পৌর বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক কামাল উদ্দিন বাবলু, রেজাউল হক হেলাল, তাজুল ইসলাম রতন, পৌর বিএনপির সদস্য মহিউদ্দিন কমিশনার ও শহীদ উল্যাহ হেলাল।
সেনবাগ উপজেলা বিএনপির বহিষ্কৃত যুগ্ম-আহ্বায়ক জাহাঙ্গীর হোসেন চৌধুরী বলেন, আমরা দলের বিপক্ষে নই, আমরা প্রার্থীর বিপক্ষে। বিএনপির বিদ্রোহী স্বতন্ত্র প্রাথী কাজী মফিজ দুঃসময়ে দলের নেতাকর্মিদের সাথে ছিলেন। আমরা বর্তমানে তার সাথে রয়েছি। দল আগে আমাদের প্রার্থীকে বহিষ্কার করেছে। দল থেকে আমাদের বহিষ্কারের কথা শুনেছি। তবে লিখিত কোন কাগজ পাইনি।
এ বিষয়ে বিএনপির প্রার্থী জয়নুল আবেদীন ফারুকের শুভানুধ্যায়ীরা বলছেন, ফারুক এক সুদীর্ঘকাল ধরে জাতীয় পর্যায় হতে শুরু করে স্থানীয়ভাবেও বিএনপির প্রতিটি আন্দোলন, সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়ে আসছেন। তিনি ঢাকার রাজপথে ফ্যাসিস্ট সরকারের বাহিনীর হাতে বুকের রক্ত ঝরিয়েছেন। আওয়ামী লীগের লোভাতুর প্রস্তাবে নিজেকে বিসর্জন দেননি।
তারা মনে করেন, কাজী মফিজ দলের কতেক কর্মীর পাশে নিজের গ্রুপিং টিকিয়ে রাখতে সোচ্চার ও সহানুভূতিশীল থাকলেও মূলত, দলের সর্বোত তার অংশ গ্রহণ ছিলনা।
Leave a Reply