শিরোনাম:
খাল খনন : খাদ্যনিরাপত্তা, পুষ্টি ও জলবায়ু-সহনশীলতার পথে বাংলাদেশের নতুন সম্ভাবনা পেটকাটার পুনঃখনন উদ্বোধনে উপদেষ্টা জবিউল্লাহ ও সংসদ সদস্য শাহজাহান আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায়ে ” তত্ত্বাবধায়ক সরকার ” বহাল সোনাইমুড়ীতে হেযবুত তওহীদের দুই সদস্যকে হত্যার আজো বিচার পায়নি পরিবার পরিচ্ছন্নতায় সমৃদ্ধ থাকলে নিজেকেও সুরক্ষিত রাখা যায় কাশিরামপুরে পুকুর থেকে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার ইতিকাফের দিনগুলো হোক প্রযুক্তির অপব্যবহারমুক্ত জান্নাতে বিশেষ আপ্যায়নে আমিষ জাতীয় খাদ্য ১০ মার্চ বান্দরবানে প্রথম ধাপে ১০৯৭ পরিবার পাচ্ছে ফ্যামিলি কার্ড গ্রাম সরকার যে কারণে ছিল জিয়াউর রহমানের দূরদর্শী ভাবনা

নোয়াখালীর উন্নয়নে আসছে ২৫০০ কোটি টাকার বন্ড

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬
  • ৪৭ পাঠক

দিশারী ডেস্ক।। ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।

নোয়াখালী অঞ্চলের গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকার সুকুক বা ইসলামী বন্ড ইস্যু করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

সোমবার (৩ নভেম্বর) বাংলাদেশ ব্যাংকের শরিয়াহ অ্যাডভাইজরি কমিটির সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

সভায় নতুন এই প্রজেক্টের নাম দেয়া হয়েছে সপ্তম বিনিয়োগ সুকুক বন্ড। এর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে আড়াই হাজার কোটি টাকা। খোলা বাজার থেকে এই টাকা উত্তোলন করা হবে। ব্যয় করা হবে নোয়াখালী, ফেনী ও লক্ষ্মীপুর পল্লী এলাকার গ্রামীণ অবকাঠামোর উন্নয়নে। ৭ বছর মেয়াদি এই সুকুক প্রজেক্টটি ইস্যু করা হবে ইজারা পদ্ধতিতে।

সুকুক প্রজেক্টে বিনিয়োগ করতে পারেন আপনিও। তবে সেজন্য কমপক্ষে ১০ হাজার টাকা বিনিয়োগ করতে হবে। এতে অবশ্য মেয়াদ শেষে উচ্চ মুনাফাও পাওয়া যাবে।

যেভাবে বিনিয়োগ করবেন

বাংলাদেশ ব্যাংকের অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকই সাধারণত ট্রেজারি বন্ড বিক্রি করে। পাশাপাশি সহযোগী কিছু ব্যাংকও এই সেবা দিয়ে থাকে। সেজন্য বিনিয়োগের আগে দেখতে হবে, যে ব্যাংকে আপনার হিসাব আছে, ওই ব্যাংক ট্রেজারি পণ্য বিক্রি করে কিনা। যদি না করে, তাহলে যে ব্যাংক ট্রেজারি পণ্য বিক্রি করে, ওই ব্যাংকে হিসাব খুলে কিনতে হবে।

যারা আবেদন করবেন, তারা সবাই বন্ড পাবেন। তবে আনুপাতিক ভিত্তিতে আবেদনকারীদের মাঝে এই বন্ড বিতরণ করা হবে। নিলামে অংশগ্রহণের সময়সীমা নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ ফেব্রুয়ারি ১০টা থেকে ৯ ফেব্রুয়ারি দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত।

মুনাফা কত

সুকুকের এই প্রজেক্টটি ৭ বছর মেয়াদি। তবে ৬ মাস পরপর এর মুনাফা দেয়া হবে। পাশাপাশি কর রেয়াতেরও সুবিধা রয়েছে। এই প্রজেক্টে সম্ভাব্য মুনাফার হার ৯ দশমিক ৬০ শতাংশ। মুনাফা যা মিলবে, পুরোটাই আবেদনকারীরা পাবেন।

সূত্র : অন্য দৈনিক

প্রচলিত সঞ্চয়পত্রের তুলনায় সুকুকের গঠনতান্ত্রিক প্রক্রিয়া ভিন্ন। সেজন্য এটি শরিয়াহসম্মত বিনিয়োগকারীদের জন্য যেমন আদর্শ, তেমনি সাধারণ বিনিয়োগকারীদের জন্যও ঝুঁকিহীন বিনিয়োগের সুযোগ। এতে সরাসরি রাষ্ট্রীয় গ্যারান্টি থাকে।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!