ডেস্ক রিপোর্ট ।। ০৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
নোয়াখালীতে দলীয় রাজনীতির পরিচয় গোপন রেখে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পদে নাম ওঠিয়েছেন একটি রাজনৈতিক দলের ৬ জন শিক্ষক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এ ব্যক্তিরা নোয়াখালী ৪ আসনে তথা সদর ও সুবর্ণচরের বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে প্রিসাইডিং ও সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তা পদে দায়িত্ব পালন করবেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ ওঠেছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জেলা সদরের অশ্বদিয়া গার্লস হাইস্কুল এন্ড কলেজের ওই শিক্ষকরা জড়িয়ে রয়েছেন সরাসরি জামাত রাজনীতির তালিকায়।
জানা গেছে, আবদুর রহিম পৌর জামাতের সহ সাধারণ সম্পাদক, হারুনর রশিদ অশ্বদিয়া ইউনিয়ন জামাতের সাধারণ সম্পাদক।
রয়েছেন বিনোদপুর জামাতের নেতা মিনহাজুল আবেদীন মিসু, মনিরুজ্জামান মনির, একলাশপুর ইউনিয়ন জামাতের নেতা মাহফুজুর রহমান, বাবর আলী, আবদুল হামিদ ও মহিব উল্যাহ।
এসব ব্যক্তি অশ্বদিয়া গার্লস হাইস্কুল এন্ড কলেজের শিক্ষক হয়েও সরাসির জামাত রাজনীতির সাথে সম্পৃক্ত। ইতোমধ্যে, জামাতের বিভিন্ন কর্মকান্ডে তাদের প্রত্যক্ষভাবে অংশ গ্রহণ করতে দেখা গেছে।
সাধারণ ভোটাররা মনে করছেন, যে বা যারা প্রকাশ্যে একটি নির্দিষ্ট দলের পক্ষে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত, তারা কোনভাবেই নিরপেক্ষ ভোট গ্রহণ কর্মকর্তা হতে পারেন। মূলত, শিক্ষক হয়ে একটি রাজনৈতিক দলের কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত থাকাও সরকারী বিধিবিধান অমান্য করার ঘটনা। এতে ভোটের নিরপেক্ষতা ও গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে দেখা দিয়েছে নানান প্রশ্নবিদ্ধতা।

তবে ওই ব্যক্তিরা দাবি করছেন, তারা জামাতের কোন পদ-পদবীতে নেই।
অবশ্য এ বিষয়ে নোয়াখালীর রির্টানিং কর্মকর্তা মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, এ বিষয়ে লিখিত কোন অভিযোগ পেলে নিশ্চয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

Leave a Reply