দিশারী ডেস্ক।। ০১ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
মো. জাহাঙ্গীর আলম। নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চরকাঁকড়ার মরহুম ইদ্রিস মিয়া ও মাতা ওহিদা খাতুনের পুত্র। বিএনপির রাজনীতির একজন নিবেদিত, ত্যাগী ও সংগ্রামী মানুষ। একজন সুশিক্ষিত ও সম্ভ্রান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে সামাজিকতায় অনন্য খ্যাতি তার।
ছাত্রজীবন থেকেই বিএনপির রাজনীতিতে সম্পৃক্ত। রাজনীতির গৌরবোজ্জল ধারায় ছাত্রদলের রাজনীতিতে তার পথধারা একটি দাপের পর দাপের পর্বে উন্নীত।
১৯৯০ সালে নতুন বাজার উচ্চ বিদ্যালয় শাখায় ছাত্রদলের সভাপতি পদে দায়িত্বপালনের মধ্য দিয়েই নিজেকে রাজপথে সম্পৃক্ত করেন ওতপ্রোতভাবে। এমন ধারাবাহিকতায় জাহাঙ্গীর আলম ১৯৯২ সালে চরকাঁকড়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি, ১৯৯৪ সালে সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক, ১৯৯৬ সালে সরকারী মুজিব কলেজ ছাত্রদলের আহবায়ক, ১৯৯৮ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক ও ২০০০ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
ছাত্রত্ব শেষে ২০০৩ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এরপর ২০০৮ সালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন জাহাঙ্গীর। উপজেলা পর্যায়ে ২ বার সাংগঠনিক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
২০১৪ সালে দলের সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ভাইস চেয়ারম্যান পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন জাহাঙ্গীর আলম। জনগণের সাথে সম্পৃক্ততা ও অকুতোভয় ভালবাসায় বিশ্বাস করেন, আওয়ামী সন্ত্রাসীরা ভোটকেন্দ্র দখল না করলে, তিনিই নির্বাচিত হতেন। বর্তমানে সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন।
জাহাঙ্গীর আলম বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের রোষানলে কারাবরণ করেন ৩ বার। জেল-জুলুমের শিকার হয়ে জীবনের মূল্যবান সময় হারানোর অসংখ্য প্রমাণ রয়েছে রাজনৈতিক হিসেবের খাতায়। নোয়াখালী সদর উপজেলার এওজবালিয়ায় হত্যা মামলাসহ ২১টি মামলার গ্লানী টানছিলেন তিনি।
জানান, আওয়ামী সন্ত্রাসী দ্বারা হামলার শিকার হয়ে মারাত্মক রক্তাক্ত ও আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেনও একাধিকার। অসংখ্য মামলা-হামলা, নির্যাতনের শিকার হয়েও রাজনীতির মাঠ থেকে একদিনের জন্যও কোথাও পালাননি তিনি। বর্তমানেও বিএনপির প্রীতিসিক্ততায় ধারাবাহিকভাবে দলের রাজনীতিতে নিজেকে রাখছেন নিখাদ ভালবাসায়।
Leave a Reply