দিশারী ডেস্ক।। ৬ আগষ্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
মহেশখালীতে এক্সেলেরেট এনার্জি পরিচালিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) থেকে বৃহস্পতিবার ভোরে আবার গ্যাস সরবরাহ শুরু হয়েছে। টার্মিনালে অগ্নিকাণ্ডের ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ বন্ধ থাকার পর এ সরবরাহ পুনরায় চালু হলো।
রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেড (আরপিজিসিএল)-এর উপ-মহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন জানান, বুধবার দিবাগত রাত প্রায় ৩টার দিকে এলএনজির পুনঃগ্যাসীকরণ (রিগ্যাসিফিকেশন) এবং জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ পুনরায় শুরু হয়।
——————————————————————————————————————————–
তিনি বলেন, প্রাথমিকভাবে টার্মিনালটি প্রতিদিন প্রায় ১০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করছে। এরপর ধাপে ধাপে সরবরাহ ২০০ মিলিয়ন এবং পরে ৩০০ মিলিয়ন ঘনফুটে উন্নীত করা হবে। শেষ পর্যন্ত টার্মিনালটির পূর্ণ পুনঃগ্যাসীকরণ সক্ষমতা অনুযায়ী প্রতিদিন ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হবে।
——————————————————————————————————————————–
গত ২১ জুলাই ভাসমান টার্মিনালের সংরক্ষণ ও পুনঃগ্যাসীকরণ ইউনিটে অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে এক্সেলেরেট এনার্জি পরিচালিত ফ্লোটিং স্টোরেজ অ্যান্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট (এফএসআরইউ) বন্ধ ছিল। এ ঘটনার কারণে এলএনজির পুনঃগ্যাসীকরণ কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায় এবং সারা দেশে গ্যাস সরবরাহ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
এই সময়ে বাংলাদেশের গ্যাস সরবরাহ শুধুমাত্র সামিট গ্রুপ পরিচালিত দ্বিতীয় ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের ওপর নির্ভরশীল ছিল এ সময়ে টার্মিনালটি প্রতিদিন প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ অব্যাহত রাখে।
স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে দেশের দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল মিলিয়ে প্রতিদিন প্রায় এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট পুনঃগ্যাসীকৃত এলএনজি সরবরাহ করা হয়, যা দিয়ে বাংলাদেশের প্রাকৃতিক গ্যাসের চাহিদার একটি বড় অংশ পূরণ হয়।
মহেশখালী টার্মিনালের কার্যক্রম পুনরায় শুরু হওয়ায় ধাপে ধাপে এর পূর্ণ সক্ষমতায় পৌঁছানোর সঙ্গে সঙ্গে আবাসিক গ্রাহক, শিল্পকারখানা, বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং সিএনজি ফিলিং স্টেশনগুলোতে গ্যাস সরবরাহের অবস্থারও ক্রমান্বয়ে উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
Leave a Reply