২৫০ শয্যার নোয়াখালী হাসপাতালের দরপত্র বিজ্ঞপ্তি এবারও ২১ টি পত্রিকায় ?

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৩ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৮৮ পাঠক

নিজস্ব প্রতিনিধি । ২৩ এপ্রিল, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

২৫০ শয্যা বিশিষ্ট নোয়াখালী সরকারী জেনারেল হাসপাতালে পত্রিকায় দরপত্র বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচারে অনিয়ম, দুর্নীতি ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগ রয়েছে। এ হাসপাতালে তত্বাবধায়ক পদে ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী যোগদানের পরই এমন অনিয়ম ও দুর্নীতি সংঘটিত হয়ে চলছে দিনের পর দিন।

সূত্র জানায়, ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী যোগদানের পর প্রথম দরপত্র বিজ্ঞপ্তিটিই প্রচারিত হয়েছিল ২৪টি পত্রিকায়। যা শুধু নোয়াখালীর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের ইতিহাসে নয়, বরং সারাদেশেই দুর্নীতি ও অনিয়মের সবচেয়ে বড় ঘৃণ্য উদাহরণ বলে জানা যায়। সে সময়ে এ নিয়ে বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে সমালোচনা ও আলোচনার পরেও টনক নড়েনি তার। পরের বিজ্ঞপ্তিটিও দেয়া হয়েছিল ২৩ পত্রিকায়।

গত ২২ এপ্রিল, মঙ্গলবার তিন কলাম চার ইঞ্চি আকারের একটি বিজ্ঞপ্তিও দেয়া হয়েছে ২১টি পত্রিকায়। এমনটাই মুঠোফোনে জানালেন খোদ তত্বাবধায়ব ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী নিজেই। বললেন, খাতায় যাদের নাম রয়েছে তারাই নাকি বিজ্ঞাপণ পাবেন। এমনটাই রয়েছে তার নীতিমালায়।

হাসপাতাল সূত্র জানায়, তিনি যখন যে সরকার ক্ষমতায় থাকেন, সে সরকারের লোক বনে যান। হাসপাতালে কর্মরত চিকিৎসকদের কতেক নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বর্তমানে ডা. ফরিদ চৌধুরী নিজেকে পাক্কা জামাতপন্থি হিসেবেও নাকি বিভিন্নমহলে নিজেকে আত্মপ্রচারণায় রেখেছেন। ইতোপূর্বে , আওয়ামী সরকারকালেও এখানে কর্মরত ছিলেন তিনি। সে সময়ে নিজেকে আওয়ামী পরিবারের লোক বলে প্রচার করতেন।

এদিকে ডা. ফরিদ উদ্দিন চৌধুরীর অবাধে ও নিয়ম বর্হিভূতভাবে কোন সরকারী প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ ও প্রচারে সরকারের নীতিমালা ভঙ্গ হলেও যেন তাতে তার কিছুই যায় আসেনা। বরং, এ নিয়ে কথা বললে তিনি রুঢ়তার স্বরে নিজেকে ক্ষমতার দৌরাত্ম্য দেখান। বলেন, আমি যাচ্ছে তাই করলেও আপনি কি করার আছে ? অথচ, এমন একটি দরপত্রের মনগড়া ও যথেচ্ছ প্রচারের ফলে সরকারের যথেষ্ট আর্থিক বিরান হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

নোয়াখালীর পেশাদার ও অভিজ্ঞ ঠিকাদাররা জানান, একটি কাজে সরকারীভাবে যে পরিমাণ বরাদ্ধ থাকে তা থেকে কিছু পরিমাণ বিজ্ঞাপণসহ কাজের আনুসঙ্গিক আঙ্গিনায় ব্যয় হয়ে থাকে। কিন্তু, তারও একটা সীমানা আছে। বরাদ্ধের এক বিপুল পরিমাণ অংক শুধুমাত্র প্রচার ও প্রকাশে ব্যয় হলে পুরো উন্নয়ন কাজই বাধাগ্রস্ত হয়। একইসঙ্গে, এরুপ কাজের গুণগতমান টেকসই ও আশানুরপ হওয়ার অন্তরায়।

 

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!