বিভিন্ন সরকারি রাস্তার দু’পাশের সরকারি গাছপালা কেটে সাবাড় করার অভিযোগ ওঠেছে উত্তর ওয়াপদা বাজারের অননুমোদিত স’মিলের মালিক আরমানের বিরুদ্ধে। সরেজমিনে গেলে বাজার ব্যবসায়ীরা জানান, আরমান সরকারী বিভিন্ন রাস্তার গাছপালা কেটে দু’পাশে স্তুপ করে নির্বিঘ্নে নিজের গাছের কাঠ হিসেবে চালিয়ে দিচ্ছেন। এভাবে দিনের পর দিন লিপ্ত রয়েছেন এমন অসাধু কারবারে।
———————————————————–
সোনাপুর-চরজব্বর সড়ক
————————————————————
অভিযোগ রয়েছে, এসব গাছ রাস্তার দু’পাশে স্তুপাকার করে রাখার ফলে সোনাপুর-চরজব্বর সড়কের যাত্রীবাহী গাড়ি ও চলাচলকারী মানুষ নানা বিপাকের শিকার হচ্ছেন। অনেকে দূর্ঘটনার কবলে গুরুতর আহত হয়েছেন। স্থানীয়রা জানান, এসব বিষয়ে জানালে আরমান আরো ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন।
অভিযোগ রয়েছে, এ স’মিলটিও পানি উন্নয়ন বোর্ডের জায়গায়। যাতে সরকার হারাচ্ছে মূল্যবান সম্পদ। যাতে বনবিভাগসহ সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগেরও কোন অনুমোদন নেই।
ভুক্তভোগীরা জানান, জনৈক ব্যক্তির আবেদনের প্রেক্ষিতে বনবিভাগ ইতোপূর্বে সমিলটি উচ্ছেদের পদক্ষেপ গ্রহণ করলেও একটাপর্যায়ে রহস্যজনক কারণে থেমে যায়।
সূত্র জানায়, স’মিলের মালিক ইতোপূর্বে এটি সরকারি জায়গা থেকে তুলে নেয়ার কথা থাকলেও বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর যেন দলীয় দৌরাত্ম্য জাহির করছেন। অনেকে জানান, এ নিয়ে কথা বললে উল্টো তিনি ধমকান।
সরেজমিনে নোয়াখালী সদর উপজেলার সোনাপুর-চরজব্বর সড়কের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকায় সরকারি রাস্তার দু’পাশে আনুমানিক এক কিলোমিটার জুড়ে গাছপালা জমা রাখতে দেখা যায়।
জনৈক ব্যক্তি জানান, বনবিভাগের লোকজন আর্থিক সুবিধা নিয়ে চুপসে যাওয়ার কারণে আরমান এমন দাপট দেখান। এছাড়া বিএনপির কতেক ব্যক্তিও স্বীয় স্বার্থ সুবিধায় আরমানের এমন অসাধু কর্মের উস্কানী দেন।
তবে আরমানের এ মিলে সরকারি গাছপালার কাটার কথা অস্বীকার করে বলেন, মিলটি অনুমোদন না থাকলেও বনবিভাগের লোকজনের সঙ্গে তার যোগাযোগ রয়েছে। তার ভাষায়, তিনি তাদের ম্যানেজ করে মিলটি পরিচালনা করছেন। তাই যেন তার সংঘটিত অন্যায় ও অনিয়মের বিরুদ্ধে লিখেও নাকি কোন কাজ হবেনা বলে নিজের এমন ঔদ্ধত্য জাহির করছেন তিনি।
Leave a Reply