দিশারী ডেস্ক।। ২০ জানুয়ারী, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুধু একজন রাষ্ট্রপতি নন, তিনি ছিলেন গণতন্ত্রের প্রবক্তা। একদলীয় শাসনের কবল থেকে দেশকে মুক্ত করে তিনি বহুদলীয় রাজনীতির পথ উন্মুক্ত করেছিলেন। জনগণের মত প্রকাশের অধিকার প্রতিষ্ঠায় তিনি ছিলেন আপসহীন। স্বাধীনতার পর দেশের রাজনীতিতে যখন দমবন্ধ করা পরিস্থিতি বিরাজ করছিল, তখন জিয়াউর রহমান সাহসিকতার সঙ্গে বহুদলীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রবর্তন করেন।
জিয়াউর রহমান সংবাদপত্রের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেন, মত প্রকাশের সুযোগ সৃষ্টি করেন এবং জনগণের অংশগ্রহণমূলক রাজনীতির ভিত্তি স্থাপন করেন।
তিনি ছিলেন বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের অন্যতম রূপকার। তিনি ক্ষমতাকে জনগণের হাতে ফিরিয়ে দিতে আজীবন সংগ্রাম করেছেন। দেশের গণতন্ত্র রক্ষায় তাঁর অবদান ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মো.শাহজাহান।
মঙ্গলবার বিকেলে নোয়াখালী জেলা বিএনপির আয়োজনে জেলা শহর মাইজদী আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে হলরুমে বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা শহীদ জিয়াউর রহমানের ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব মন্তব্য করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন গণতন্ত্র ছাড়া টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। তাই তিনি রাজনীতির পাশাপাশি অর্থনীতি, কৃষি ও শিল্পখাতকে শক্তিশালী করতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ নেন। শহীদ জিয়ার ‘ বাংলাদেশি জাতীয়তাবাদ ’ ধারণা ছিল দেশের স্বাধীনতা ও আত্মপরিচয়ের রক্ষাকবচ। এই দর্শনই দেশকে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে মর্যাদাশীল অবস্থানে পৌঁছে দেয়। জিয়াউর রহমানের দেশপ্রেম, সততা ও নেতৃত্বগুণ আজও জাতির জন্য অনুকরণীয়। তাঁর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার, মানুষের ভোটাধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দেশের সার্বিক উন্নয়নে বিএনপির নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে।
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মাহবুব আলমগীর আলোর সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব হারুনুর রশীদ আজাদের সঞ্চালনায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহ কমিটির সদস্য এডভোকেট এবিএম জাকারিয়া, সাবেক সংসদ সদস্য সালাউদ্দিন কামরান, জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আব্দুর রহমান, নোয়াখালী জেলা বিএনপির সাবেক কোষাধ্যক্ষ আবু নাছের, নোয়াখালী জজ কোর্টের পিপি এডভোকেট শাহাদাত হোসেন, জেলা আইনজীবী সমিতির সাবেক সভাপতি কামরুল ইসলাম, রবিউল হাসান পলাশসহ জেলা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা।
Leave a Reply