দিশারী ডেস্ক।। ১১ মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
প্রোটিনজাতীয় খাবার নিয়মিত খেতে হবে। মাছ, মাংস, ডিম, ডাল, দুধ, বাদাম, শাক ইত্যাদি প্রোটিনসমৃদ্ধ খাবার খেতে হবে।
সিওপিডির রোগীদের কার্বোহাইড্রেটও খেতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে। ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য অনেকেই কার্বোহাইড্রেট বাদ দেন। কিন্তু এক্ষেত্রে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়াতে ভাত, রুটি, আলু, বিনস খেতে হবে। শস্যদানা জাতীয় খাবারও ফুসফুসের জন্য ভালো।
আমলকী খাওয়া খুবই ভালো। আমলকীর রসে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। আমলকী খেলে ফুসফুস থেকে দূষিত পদার্থ বা টক্সিন বের হয়ে যায়।
তুলসীপাতার রস সিওপিডির রোগীদের জন্য খুবই ভালো। প্রতিদিন অল্প করে তুলসীর রস খেলে সর্দি-কাশি, কফ জমতে পারবে না। তুলসী পাতা ফুটিয়ে চা করেও খেতে পারেন।
পটাশিয়াম আছে এমন খাবার খেতে হবে। কুমড়ার বীজ, অ্যাভোকাডো, টমেটোতে প্রচুর পরিমাণে পটাশিয়াম আছে। প্রতিদিন একটি করে কলা খেলেই পটাশিয়ামের ঘাটতি পূরণ করা সম্ভব। পুষ্টিবিদরা বলেন, মাঝারি মাপের একটি কলায় ৪০০ থেকে ৪৫০ মিলিগ্রাম পটাশিয়াম থাকে। মিষ্টি আলু খেতে পারেন, যাতে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকে। এক কাপ পালংশাক নিয়মিত খেতে পারলে শরীরে পটাশিয়ামের অভাব হবে না।
সিওপিডি থাকলে ঘন ঘন দুধ চা বা কফি খাবেন না। এর পরিবর্তে খেতে পারেন গ্রিন টি। এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা শরীরের রোগ প্র
Leave a Reply