দিশারী ডেস্ক। ২৭ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
প্রশ্ন : এক ব্যক্তি মাসপ্রতি ৩০০ টাকা করে ১২ বছর মেয়াদি একটি সমিতি করেছে। তাদের ১২ বছরে ৪৩ হাজার ২০০ টাকা দিলে এই টাকায় তারা ব্যবসা করে ১২ বছর পর ৭০ হাজার টাকার মতো দেবে। অর্থাৎ লভ্যাংশ হিসেবে প্রায় ২৬ হাজার টাকা দেবে।
এখন তার জন্য সেই লভ্যাংশ গ্রহণ করা জায়েজ হবে, নাকি সুদ হবে ? যদি সুদ হয় তাহলে কি সদকা হিসেবে সে নিজেই তা গ্রহণ করতে পারবে ? যদি না পারে তাহলে হিলা করে গ্রহণ করার কোনো সুযোগ বা পদ্ধতি আছে কি না ?
উল্লেখ্য, লোকটি নেহাত দরিদ্র, জাকাত, ফিতরা, সদকা ইত্যাদি খাওয়ার উপযুক্ত এবং ঋণে জর্জরিত।
—আবরার কারিম, ঢাকা
উত্তর : প্রশ্নের বিবরণ থেকে বোঝা যায়, উক্ত সমিতি সদস্যদের কাছ থেকে মাসিক কিস্তি জমা করে নির্ধারিত অঙ্কে লাভ দেবে। অর্থাৎ জমা টাকার ওপর অতিরিক্ত প্রদান করা হবে। বাস্তবে যদি তা-ই হয়, তবে এটা সুদি লেনদেন হিসেবে গণ্য হবে। এমন সমিতির সদস্য হওয়া বৈধ হবে না।
তবে সদস্য হয়ে থাকলে অবিলম্বে চুক্তি রহিত করা আবশ্যক। আর লভ্যাংশের টাকা গরিব-মিসকিনকে সদকা করে দেবে।
(আদ্দুররুল মুখতার : ৫/৬৪৮, হিন্দিয়া : ৫/৩৪৯, ফাতাওয়ায়ে দারুল উলুম : ১৪/৪৯৯)
Leave a Reply