যেসব ব্যাপারে ঈর্ষা করা বৈধ

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই, ২০২৫
  • ৪০ পাঠক

দিশারী ডেস্ক।। ১৭ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ‏ “‏ لاَ حَسَدَ إِلاَّ فِي اثْنَتَيْنِ رَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ مَالاً فَسَلَّطَهُ عَلَى هَلَكَتِهِ فِي الْحَقِّ وَرَجُلٌ آتَاهُ اللَّهُ حِكْمَةً فَهُوَ يَقْضِي بِهَا وَيُعَلِّمُهَا ‏”‏ ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রা.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : দুই ব্যক্তি ছাড়া আর কারো ব্যাপারে ঈর্ষা করা বৈধ নয়। (এক) যাকে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং তাকে তা সৎকাজে ব্যয় করার মনোবলও দিয়েছেন। (দুই) যাকে আল্লাহ প্রজ্ঞা দান করেছেন এবং সে তদ্বারা (সঠিক) মীমাংসা করে এবং তা (লোককে) শিক্ষা দেয়।

-(ইবনে মাজাহ, হাদিস : ৪২০৮; বুখারি হাদিস : ৭৩; মুসলিম হাদিস : ৮১৬; আহমাদ হাদিস :৩৬৪৩, ৪০৯৮)

সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যা :

এখানে ‘ঈর্ষা’ বলতে হাসাদ (ক্ষতিকারক হিংসা) বোঝানো হয়নি, বরং গিব্তা বোঝানো হয়েছে। অর্থাৎ, এমন আকাঙ্ক্ষা করা যে, ‘ আল্লাহ তাকে যেমন দিয়েছেন, তেমন আমাকেও দিন, তবে তার থেকে নিয়ে নেয়া হোক তা আমি চাই না। ’ আর এমন ধরনের ঈর্ষা বা গিবতা দুই ক্ষেত্রে করা যেতে পারে-

১. ধনবান, সদকার প্রতি উদার ব্যক্তি :

যার কাছে আল্লাহ সম্পদ দিয়েছেন এবং সে তা আল্লাহর পথে, সৎকাজে, দান-সদকা, সমাজসেবা প্রভৃতিতে ব্যয় করে। এ ধরনের লোকের প্রতি ঈর্ষা করা বৈধ, কারণ সে আল্লাহর দেয়া নিয়ামতকে সঠিক পথে কাজে লাগাচ্ছে।

২. প্রজ্ঞাবান, জ্ঞান চর্চাকারী ও শিক্ষাদানকারী ব্যক্তি :

যার কাছে আল্লাহ হিকমাহ (দ্বীনি গভীর জ্ঞান ও প্রজ্ঞা) দিয়েছেন। সে নিজে তা অনুযায়ী বিচার করে, সমস্যার সমাধান করে, ও অন্যদের তা শিক্ষা দেয়। এ ধরনের ব্যক্তিও ঈর্ষাযোগ্য।

এই হাদিস আমাদেরকে সঠিক ঈর্ষার পথ দেখায়।
যেখানে ঈর্ষা আত্মিক উন্নতি ও আল্লাহর সন্তুষ্টির পথে প্রেরণা জোগায়।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!