আকাশ মো.জসিম।। সম্পাদক ও প্রকাশক
তিনি বলেন, রাজনীতিতে প্রতিযোগিতা থাকবে, তবে সেটা যেন প্রতিহিংসা না হয়। প্রতিযোগিতা রাজনীতিকদের নৈতিক মানে উন্নত করে। ব্যক্তিজীবনকে প্রাণিত করে মানবতা আর মানবিকতার বিশুদ্ধ পরিচর্যায়। যেগুণের প্রাণিত ধারায় সময়ের বিবর্তনে নিজেকে নোয়াখালীর বিএনপির রাজনীতির খাতায় সর্বাধিক জনপ্রিয়তায় নাম লিখিয়েছেন মানুষের হৃদয়ের পাতায়। তিনি জননেতা মো. শাহজাহান।
নোয়াখালী সদর, জেলা পেরিয়ে চট্টগ্রাম, একপর্যায়ে জাতীয় নির্বাহী কমিটির যুগ্মমহাসচিব, সর্বশেষ ভাইস চেয়ারম্যান পদের রাজনীতিও অর্জিত হয়েছে তাঁর রাজনৈতিক আদর্শিকতার চর্চায়।
নোয়াখালী বিএনপির ঘাঁটি হিসেবেও পদচারণা আর পরিচালনায় তাঁর নামই সর্বাগ্রে উপস্থাপনায় বলিয়ান। এ মাটিতে বিএনপিকে জনপ্রিয় কিংবা গণমানুষের ভালবাসার দলে পরিগণিত করতে কে-ইবা ছিলেন বিকল্প পদচারণায় ! এ জেলায় বিএনপির পতাকা তলে গণমানুষকে এককাতারে শামিল করতে কাঠখড়ও কম পোহাতে হয়নি তাঁর।
রাজনীতির নীতিকে প্রীতি করে মানুষ টিকে থাকা বড়ই কঠিন। এ পথের পরিক্রমায় অনেকে হয়ে গেছেন উদাসীনও। বিগত ফ্যাসিবাদের জমানায় নানা অজুহাতে যেমনই দোসর হয়েছিল সুবিধাবাদীদের কিছু কদাচিৎ মানুষ। রাজনৈতিক জনপ্রিয়তার বিরুদ্ধে রুজু হয়েছিল মামলা। নির্বাচনের রূপরেখা বাস্তবায়নে ফ্যাসিস্ট সরকার জনপ্রিয়তায় ভীত আর ইর্ষান্বিত হয়ে ঘোষণা করেছিল সাজা। জেলে গেছেন। তবুও একজীবনে চরিত্র পাল্টাননি তিনি।
রাজনৈতিক দুরদর্শিতার প্রবাল প্রবাহের আবহে টিকে ছিলেন বলে গণমানুষের ভালবাসার জোয়ার কোনকালেই থেমে যায়নি তাঁর পক্ষে ৷বরং তাঁর প্রতি মানুষের দায়বদ্ধতা যেন অনেক বেশি বেড়ে গেছে। যে কারণে একটি বৃষ্টিমূখর দিনেও নোয়াখালীর রাজপথে তাঁকে ভালবাসার নমুনা দেখাতে কিংবা সিক্ত করতে ঝড়, বৃষ্টি উপেক্ষা করে জড়ো হয়েছিল প্রায় লাখ মানুষের বিচরণ।
নোয়াখালীর বিএনপির সর্বস্তরের নেতা, কর্মী মনে করেন , ক্রোধ, হিংসা কিংবা অহংবোধ চরিত্রে নেই বলে তো মো.শাহজাহানের মেঠোপথের দু’পাশে কেবল মানুষ আর ভালবাসা দেখা যায়। এমন ভালবাসার সান্নিধ্য প্রকাশ করতে গিয়ে সুবর্ণচরের রাজনীতির এক বৃদ্ধ বলেন, মো.শাহজাহান ছাড়া অন্যকিছু বুঝিনা। ইসহাক মুন্সির হাটের এক কৃষক বললেন, চেষ্টা করা যায়, তবে মো.শাহজাহান হওয়া জরুরী হলেও, সম্ভব না। চরবাটার এক শ্রমজীবী বলেন, মো.শাহজাহানের সান্নিধ্যে না থাকলে কিছু মানুষের পক্ষে কোন ইউপির সদস্য হওয়াও সহজে বলা যতসহজ, নির্বাচিত হওয়া এতো সহজ নয়।
মো.শাহজাহান বিগত সময়ের বন্যায় নোয়াখালীর বন্যা দূর্গত মানুষের পাশে ছিলেন আপনজনের ন্যায় একান্ত।একটা পর্যায়ে, শাররিকভাবে ক্লান্ত হলেন। সবার দোয়া নিয়ে দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন ছিলেন। এ সময়ে আমরা কিছু মানুষ ভ্রান্ত পথে নিজেকে ক্লান্ত করেছি। নিজের লোভ, লালসা উতরে দিয়েছি। অথচ, মো.শাহজাহান একজীবনে রাজনৈতিকভাবে কাউকে প্রতিবন্ধী তো করেননি ! নিরবিচ্ছিন্ন রাজনীতির প্রতিটি কর্মীই তে কোন না কোন পদভারে দায়িত্বসীন কিংবা মর্যাদার খেতাব পেয়েছেন। এসবে নেই তাঁর কোন অবদান ???
অথচ, তাঁর একটি সংকটাপন্ন সময়ে, সুস্থ্যতা কামনার বদলে অনেকে রাতারাতি মৃত্যুও কামনা করেছি ? অথচ, মো.শাহজাহান আমাদের অসুস্থ্যতায় দীর্ঘায়ু কামনা করেন। আজ যেমন দলের নিবেদিত ও দুঃসময়ের মানুষগুলোর কবরের পাশে দুহাত তুলে মহান আল্লাহ পাকের দরবারে জান্নাত নসিবের প্রার্থনা করছেন।
২২ জুলাই, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।
Leave a Reply