দিশারী ডেস্ক।। ২৫ আগস্ট, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।
বাংলার পর্যটনের ইতিহাসে সিলেটের ভোলাগঞ্জকে বলা হয় বাংলাদেশের ভূস্বর্গ। এখানে একদিকে দৃশ্যমান ভারতের মেঘালয়ের উঁচু পাহাড়, অন্যদিকে স্বচ্ছ জলের ধলাই নদী আর নদীর তলদেশজুড়ে ছড়িয়ে থাকা সাদা পাথর- সবকিছু মিলে এক মায়াবী পরিবেশ তৈরি করে। এই প্রাকৃতিক সৌন্দযের্র মাঝে আছে এক অসাধারণ মসজিদ, যা এই এলাকার গুরুত্বকে আরও বাড়িয়ে তোলে।
ধলাই নদী ভারত ও বাংলাদেশের সীমানা ভাগ করে দিয়েছে। নদীর একপাশে বাংলাদেশের ভূখন্ড আর অন্যপাশে ভারতের মেঘালয় রাজ্য। এই দুই দেশের সীমানার মাঝে, বাংলাদেশের শেষ প্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে অনন্য সুন্দর সাদা মসজিদটি। এটি স্থানীয় মানুষ ও পর্যটকদের টাকায় তৈরি হয়েছে এবং এর প্রতিটি অংশে সাদা রঙের ব্যবহার করা হয়েছে। মসজিদটি দূর থেকে দেখলে মনে হয় যেন সাদা পাথরের স্তূপের মধ্যে একটি সাদা মুক্তো জ্বলজ্বল করছে। পর্যটকদের জন্য এটি শুধু একটি উপাসনালয় নয় বরং এক শান্ত ও পবিত্র স্থান। এখানে এসে মুসলিম পর্যটকরা নামাজ আদায় করতে পারেন। প্রকৃতির এমন অসাধারণ পরিবেশে নামাজ আদায় করার অভিজ্ঞতা বিশেষ অনুভূতির। এই মসজিদটি প্রমাণ করে যে, সৌন্দর্য এবং বিশ্বাস একে অপরের সঙ্গে কতটা সুন্দরভাবে মিশে যেতে পারে।
ভোলাগঞ্জের প্রধান আকর্ষণ হলো সাদা পাথর। মেঘালয়ের পাহাড় থেকে নেমে আসা নদীর খরস্রোতে ভেসে আসে এই সাদা পাথরগুলো, যা নদীর বুকে এক সুন্দর প্রাকৃতিক চাদর বিছিয়ে দেয়। নদীর স্বচ্ছ পানি এমন যে, এর তলদেশের প্রতিটি পাথর পরিষ্কার দেখা যায়। গ্রীষ্মকালে নদীর পানি কমে গেলে পর্যটকরা হেঁটেই একপাশ থেকে অন্যপাশে এবং মসজিদে যেতে পারেন, যা এই স্থানকে করে তোলে আরও বেশি আকর্ষণীয়।
Leave a Reply