পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ ধর্মপুরের গ্রাহকেরা

  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৭৫ পাঠক

দিশারী ডেস্ক।। ৩ অক্টোবর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।

নোয়াখালীর সদরে পল্লী বিদ্যুতের ভুতুড়ে বিলে অতিষ্ঠ হয়ে ওঠছেন সোনাপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের ধর্মপুরের গ্রাহকেরা। তারা পল্লীবিদ্যুতের বিলের নামে এমন ভুতুড়ে হিসেবকে পকেট কাটা চুরি বলে মনে করছেন। পল্লী বিদ্যুতের এমন দায়সারা বিলের কবলে গ্রাহকেরা নানা ভোগান্তি ও আর্থিক দৈন্যতার শিকার হলেও এটাই যেন সোনাপুর আঞ্চলিক কার্যালয়ের একটি আইন।
গ্রাহকেরা বলছেন, তারা এর আগেও এমন হরহামেশা বিলের শিকার হয়েছেন। এরপর ওই দপ্তরের শীর্ষ কর্মকর্তার সাথে যোগাযোগ করলে তিনি নানা ছলাকলা দেখিয়ে পার করে দেন। একপর্যায়ে, ক’মাস সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও ফের আবারো ভোগান্তি পোহাতে হয় তাদের।

—————————————————–

সোনাপুর আঞ্চলিক কার্যালয়

—————————————————–

জানা গেছে, সম্প্রতি ধর্মপুর ইউনিয়নের ধর্মপুরের বিভিন্ন পর্যায়ের গ্রাহকের ওপর বিশাল বিলের বোঝা ধরিয়ে দিয়েছেন তারা। গত ক’মাস বিল মোটামুটি সহনীয় পর্যায়ে থাকলেও সম্প্রতি ২ শত টাকার স্থলে ৬ শত টাকার হিসেবে অংক বসিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছেন তারা।

ধর্মপুরের আবুল কালাম জানান, তার ঘরে মাত্র ২টি বাতি ও ২টি ফ্যান চলে। অথচ, এর আগে ২৫০ টাকার মধ্যে বিলের অংক আসতো। এ মাসে তাকে ৬শত টাকার বিল ধরিয়ে দেয়া হয়েছে।সেলিম মিয়ার বাড়িতেও একই অবস্থা। আগে ৩ শত টাকার মধ্যে বিলের অংক থাকলেও বর্তমানে সাড়ে ৭ শত টাকার বিল পাঠানো হয়েছে। ওই বাড়ির মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন (মিটার নম্বর-২৩৮৯২২৪০) সারা বছর শহরে থাকেন। তার ঘরের বাইরের দেয়ালে রাতের বেলায় মাত্র একটি বাতি জ্বলে। আগে যাতে ২৫০ টাকার বিল হিসেব করা হতো , এ মাসে তাও সাড়ে ৭ শত টাকার হিসেবের ঘরে। হাফেজিয়া নগরের ব্যবসায়ীরা জানান, গত মাসে যে বিল হয়েছে ৩ শত থেকে সাড়ে ৩ শত টাকা, সে স্থলে ৭ শতাধিক টাকার বিল হিসেব করা হয়েছে তাদের নামে।

বেশ কিছু গ্রাহক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, এসব নিয়ে প্রতিবাদ করলে ভুতুড়ে বিল থেকে কিছুদিন নিষ্কৃতি মেলে তাদের। তবে একটা পর্যায়ে, ফের আগের নিয়মে বিল ধরিয়ে দিয়ে সাধারণ ও নিরীহ গ্রাহকদের আর্থিকভাবে হয়রানির শিকার করছেন তারা।

অভিযোগ রয়েছে, ক’মাস পর-পর প্রায় পরিবারের কাছ থেকে দ্বিগুণ, কোথাও তিনগুণের অংকে বিদ্যুতের বিল আদায় করছেন সোনাপুর কার্যালয়ের দায়িত্বশীলরা। গ্রাহকেরা একে অন্যতম চুরি হিসেবে মনে করছেন।

এ বিষয়ে গ্রাহকেরা উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা প্রকাশ করে সরকারের সুনাম ও সুখ্যাতি ধরে রাখার স্বার্থে পল্লীবিদুতের এসব চোরদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ও জরুরী ব্যবস্থা গ্রহণের আশাবাদ রাখছেন সরকারের সংশ্লিষ্ট মহলের কাছে।

 

 

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!