ভেঙে পড়ছে নাগরিকসেবা

  • আপডেট সময় রবিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩৭ পাঠক

                                                                                                দিশারী ডেস্ক।। ২১ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।

নোয়াখালী পৌরসভার নাগরিকসেবাসহ সার্বিক জনসেবার মানদণ্ড অনেকটাই ভেঙে পড়ছে। ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি ছাড়া এখানে কোন কাজই হয়না। এমন অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।

সূত্র জানায়, বন্যা পরবর্তী পৌর এলাকার রাস্তা ঘাটের উন্নয়নে কোটি কোটি টাকার বরাদ্ধ করেছে সরকার। ইতোমধ্যে সেসব কাজের টেন্ডার আহ্বানও এগিয়ে চলছে। শুরু হয়েছে বেশ কিছু রাস্তা ঘাটের নামখাওয়াস্ত উন্নয়ন।

——————————————–

নোয়াখালী পৌরসভা

———————————————

অভিযোগ রয়েছে, প্রতিটি কাজের বরাদ্দ হতে প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন একটি চুক্তিবদ্ধ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছেন। কখনো মন্ত্রনালয়ের উধ্বতন কর্মকর্তার নামেও ভাঁওতাবাজি করছেন তিনি। কখনো জড়িত করছেন পৌরসভার প্রশাসকসহ বিভিন্নমহলের কথাও।

জানা গেছে, শহরের পৌরবাজার ও সোনাপুর বাজারে দোকান ও ভিটি বরাদ্ধের নামেও স্বজনপ্রীতি ও দুর্নীতি রয়েছে তার। ঘুষ, দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতির তথ্য গোপণ রাখার শর্তে সুবিধাজনক অর্থ সুবিধা ভাগিয়ে নিয়ে এসব বাজারের প্রায় দোকান ও ভিটি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের অনুকুলে বরাদ্দ দিয়েছেন তিনি।

সূত্র জানায়, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন পৌরসভায় যোগদানের শুরুতে নিজেকে নিরপেক্ষ লোক দাবি করলেও হালে বিএনপির অমুক, তমুক নেতা তার স্বজন, প্রিয়জনসহ নানা কথায়, নানাভাবে নিজেকে জাহির করছেন। এছাড়া তিনি কার্যালয়ের ভেতরে একটি গোপন কক্ষে ইয়াবায় আসক্ত হন বলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান একাধিক কর্মচারী।

অভিযোগ রয়েছে, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান থেকে আর্থিক সুবিধা ভোগের কারণে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারদের চলমান উন্নয়নের কাজের মানও সুখকর নয়। এসব চলছে ঢিলেঢালায়। যা অত্যন্ত নিম্নমানের নির্মাণসামগ্রী ব্যবহার করে সম্পন্ন করা। সারকারের স্থানীয় সরকার মন্ত্রনালয়ে পাঠানো অভিযোগে বলা রয়েছে, বর্তমানে নোয়াখালী পৌরসভায় নির্বাচিত মেয়র না থাকায় তিনি নিজেকে মেয়র বলে ভাব দেখিয়ে সাধারণ মানুষকে নানাকাজে জিম্মি করে নিজের আখের গুছিয়ে নিচ্ছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ঠিকাদার জানান, এর আগে কর্মরত পৌরসভায় বিভিন্ন সুবিধাভোগী ঠিকাদারদের সুবিধা দেয়ার কথা বলেও হাওলাত টাকা নিতেন এই নির্বাহী কর্মকর্তা আলা উদ্দিন। একপর্যায়ে, তার বদলিজনিত কারণে ওই কর্মস্থল হতে নোয়াখালী পৌরসভায় যোগদানের খবর পেয়ে তারা এই নির্বাহীকে আটকে রেখে নিজেদের দেয়া টাকা উদ্ধার করেছেন। অবশ্য, তিনি সবই অস্বীকার করে বলেছেন যে বা যা যারা এমন তথ্য দিয়েছে তা আদৌ সত্য নয়।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!