কর্মসংস্থানের বর্ণিল উদ্যোক্তা আলা উদ্দিন মৎস্য খামার

  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৬৭ পাঠক

দিশারী ডেস্ক।। ৮ ডিসেম্বর, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।।

নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চরক্লার্কের কেরামতপুর । একটি বর্ণময় এলাকা। সরেজমিনে গেলে প্রাণ জুড়ায় যে কারোই। দীর্ঘদিন ধরে পরিত্যক্ত হয়ে পড়ে থাকা প্রায় শত একর ভূমি লীজ নিয়ে একটি স্বপ্ন খামার গড়ে তোলেন তিনি।

২০১৯ সালে এ স্বপ্নের বাস্তবতার যাত্রা শুরু হয়। এরপর কয়েক কোটি টাকার মূলধন খাটান এমন স্বপ্ন যাত্রায়। স্বপ্ন দেখেন, এখানে আরো বেশ কিছু উৎপাদনশীল কর্মকান্ডে হাত দেবেন তিনি। রয়েছে একটি সুন্দর, মনোরম ও প্রাকৃতিক সহজাত পরিবেশের পর্যটন কেন্দ্র গড়ে তোলারও পরিকল্পনা।

বর্তমানে এখানে রয়েছে ১৪টি পুকুর। তাতে রয়েছে নানা প্রজাতির মাছ। জীবন্ত মাছগুলো বিক্রয় করে উপার্জন করায় এ প্রকল্পের অর্থনৈতিক ভরসা। এমন অর্জনে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থাও হয়েছে প্রায় শত পরিবারের।

পুকুর পাড়ে রয়েছে শত-শত আম, লেবু, তাল, কলা, নারকেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছও। শুষ্ক মৌসুমে বাদাম, তরমুজসহ নানা ধরনের ফলজ উৎপাদনেরও উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

প্রকল্পের স্বত্বাধিকারী মো. আলা উদ্দিন জানান, তিনি পরিকল্পনা মোতাবেক এ খামারটি পরিচালনা করে বিগত বছর সফল মৎস্য খামারীদের তালিকায় জেলায় শ্রেষ্ঠ মৎস্য খামারীর পুরষ্কার লাখ করেছেন। তবে বিগত বন্যায় এ খামার থেকে বেশ কিছু মাছ সরে যাওয়ায় আর্থিকভাবেও ক্ষয়ক্ষতিরও শিকার হয়েছেন তিনি।

আলা উদ্দিন  জানান, বর্তমানে আর্থিক দৈন্যতায় হিমশিম খাচ্ছেন। সরকারের যে কোন দপ্তরের যে কোন শর্তে আর্থিক সহায়তা পেলে অচিরেই এ খামারে গবাদী পশু, হাঁস, মোরগ, ছাগল পালনসহ আরো বেশ কিছু পরিকল্পনা রয়েছে তার।

সরেজমিনে গেলে এখানকার কর্মচারীরা জানান, এ প্রকল্প গড়ে ওঠার ফলে তারা নিজেই এখানে কর্ম করতে পারছেন। এতে তারা নিজেদের পরিবার-পরিজন নিয়ে মোটামুটি সুন্দর ও স্বচ্ছলভাবে জীবিকা ব্যয় নির্বাহও করতে পারছেন।

তারা আশা প্রকাশ করে বলেন, সরকার ব্যক্তি উদ্যোগে গড়ে তোলা এ খামারটির সার্বিক উন্নয়নে সর্বদাই সহযোগিতায় থাকবেন একাগ্র।

আলা উদ্দিন বিশ্বাস করেন, তার প্রকল্প হতে উৎপাদিত মাছ দেশের আমিষের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করেও বৈদেশিক মূদ্রা অর্জন সম্ভব। তবে এ জন্যে তিনি সরকারের আন্তরিক সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে বলে শর্ত জুড়িয়ে দেন।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!