দিশারী ডেস্ক।। ১৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
নোয়াখালীর সুবর্ণচর উপজেলা ভ‚মি সহকারী কমিশনার কার্যালয়ে চুক্তিতে বন্দোবস্তের নথি মেলে বলে খবর রয়েছে। অভিযোগ ওঠেছে, এ কার্যালয়ে চুক্তিবদ্ধ অর্থের বিনিময়ে সবই হয়।
এখানে একের জমি অন্যের নামে স্থানান্তর, রুপান্তর কিংবা মালিক সাজা কোন ব্যাপার নয় বলে জানান ভুক্তভোগীরা। এমন কাজই এ কার্যালয়ের বেশির ভাগ কর্মচারীদের নিয়মিত কাজের একটি রোজনামছা। এতে সর্বশান্ত হচ্ছেন চরের অসহায় ও সাধারণ মানুষ।
জানা যায়, এ কার্যালয়ের কতেক কর্মচারী মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে যে কোন নাগরিকের বসত বাড়ি, ঘরের জমিও অন্য যে কারো নামে বন্দোবস্ত প্রক্রিয়া করে থাকেন। চুক্তিবদ্ধ অর্থ থেকে সহকারী কমিশনারও নাকি মোটা অংকের সুবিধা পেয়ে থাকেন।
সূত্র জানায়, এ উপজেলায় সরকারের রয়েছে কয়েক হাজার খাস জমি। আবার এসব জমি চরের কোন না কোন ভূমিহীনের দখলেও রয়েছে। অথচ সরেজমিনে কোন ধরনের তদন্ত না করে টাকার বিনিময়ে ভূমিদস্যুরা ভূমিহীন সেজে মানুষের বসতি নিজের করে নিচ্ছেন।
এ বিষয়ে একজন ভুক্তভোগী ভূমিহীন জানান, তিনি হাতিয়ায় মেঘনার কবলে বসত হারিয়ে এখানে ২০ বছরের অধিককাল ধরে বসতি করেন। কিন্তু সুবর্ণচরের ভূমি অফিসের এক কর্মচারী নিজেই ভূমিহীন সেজে তার বসত বাড়িসহ ভোগদখলের জমি নিজের নামে বন্দোবস্ত করে নিয়েছে। তিনি এ ঘটনায় জেলা প্রশাসক বরাবরে বিচার দাবি করেছেন।
অথচ বিষয়টি চরম অন্যায় ও গর্হিত অপরাধ। কোন সরকারী দপ্তরের কর্মচারী এহেন কর্ম করাটা চরম অন্যায় ও বেআইনী ও সরকারবিরোধী কাজ বলে মনে করেন সচেতন নাগরিকেরা।
তবে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করেন, ইতোপূর্বে তারা বিভিন্ন মাধ্যমে জেলা প্রশাসক বরাবরে জানানোর পরেও কোন সুফল মেলেনি। ফলে এখানকার ভ‚মি প্রশাসনে অনিয়ম, অব্যবস্থাপনা ও দুর্নীতি একটি নিয়ম নীতিতে পরিণত হয়েছে।
Leave a Reply