মেধাবীরা দেশ ছাড়ছেন কোন কারণে ?

  • আপডেট সময় রবিবার, ১৮ মে, ২০২৫
  • ৪২ পাঠক

দিশারী ডেস্ক। ১৭ মে, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ।

ধনী ও উচ্চবিত্ত পরিবারের বেশির ভাগ ছেলেমেয়ের বিদেশে পড়াশোনার ঝোঁক সব সময়ই কম-বেশি ছিল। কিন্তু মধ্যবিত্ত শ্রেণির মধ্যে ন্যূনতম মেধা ও সামর্থ্য রয়েছে, এমন পরিবারের ছেলেমেয়েরা আজকাল দেশে পড়াশোনা করতে আগ্রহী হচ্ছেন না। একটা সময় মাস্টার্স করতে শিক্ষার্থীরা বিদেশে পড়তে যাওয়ার চিন্তা করলেও এখন আন্ডারগ্র্যাজুয়েট করতেই বিদেশমুখী হচ্ছেন ছাত্রছাত্রীরা।

নানা কারণে তারা দেশে থাকার বিষয়ে আস্থা হারিয়ে ফেলছেন। তা ছাড়া দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বৈশ্বিক মানদণ্ডে অবস্থান ক্রমেই নিম্নমুখী হওয়ার কারণেও বিদেশমুখী প্রবণতা বাড়ছে ছাত্রছাত্রীদের।

পর্যবেক্ষকরা বলছেন, দেশে সামাজিক নিরাপত্তা, উপযুক্ত মর্যাদা ও চাকরির সংকট থাকায় বিদেশে গিয়ে অনেকে ফিরছেন না। ফলে দেশ থেকে ডলার যেমন চলে যাচ্ছে, আবার ডিগ্রি অর্জন শেষে দেশে ফেরত না আসার প্রবণতাও বাড়ছে। এ কারণে দক্ষ ও মেধাবীদের কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশ।

গত বছরের ৫ আগস্ট দেশের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনে দায়িত্ব নেওয়া প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কর্মরত বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে এনে দেশের প্রয়োজনে কাজে লাগানোর কথা বলছিলেন। এ ক্ষেত্রে বিডার চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীসহ কয়েকজন ফিরে এলেও সেটি পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান পর্যালোচনা করে দেখা গেছে, উচ্চশিক্ষার জন্য বছরে ৫০ হাজারের বেশি ছাত্রছাত্রী দেশ ছাড়ছেন, যা ১০ বছর আগের তুলনায় দ্বিগুণ।

বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এই প্রবণতার জন্য দেশের রাজনৈতিক ব্যবস্থাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, মানুষের মধ্যে দেশপ্রেম কমে যাচ্ছে। এটা হচ্ছে দেশপ্রেমের নিম্নগতি। আমরা মুক্তিযুদ্ধ করলাম, দেশ স্বাধীন করলাম, একটা স্বাধীন রাষ্ট্রের নাগরিক হলাম।

কিন্তু দেখা যাচ্ছে, যারা শাসনক্ষমতায় গেছেন তারা ধনী লোক। বুর্জোয়া শ্রেণি। দেশপ্রেম দেখা গেল না। তারা ধনী হওয়ার জন্য অসৎ উপায় দুর্নীতি, লুটপাট- এগুলো করতে থাকলেন।

তিনি বলেন, তিন ধারার শিক্ষা তো এক ধারায় হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সেটা হয়নি। বরং তিন ধারা আরও বিভক্ত হলো। তার কারণ হলো ইংরেজি মাধ্যমে যারা ধনী তাদের ছেলেমেয়েরা পড়বে, মধ্যবিত্তরা বাংলা মাধ্যমে এবং গরিবরা মাদ্রাসায় পড়বে এ রকম একটা শ্রেণি বিভাজন দাঁড়িয়ে গেল। যারা উচ্চবিত্ত তারা কিন্তু দেশের শিক্ষার মান উন্নত করার ব্যাপারে আগ্রহী না।

কেননা, তাদের ছেলেমেয়েরা ইংরেজি মাধ্যমে পড়ে। এই মাধ্যমে পড়ার পরে তারা আর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে না, প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হয়। আর যাদের সামর্থ্য আছে তারা বিদেশে পাঠিয়ে দেন। এটা দেশের সম্পদ পাচারের মতো ব্যাপার। ধনীরা বিদেশে বাড়িঘর করছেন। দেশের ভবিষ্যৎ গড়ে তোলার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ নেই। কাজেই তাদের সব বিনিয়োগ এই অর্থে সন্তানের ভবিষ্যৎ, নিজেদের বাড়িঘর এগুলো তারা বিদেশে করতে থাকবেন।

বিশিষ্ট এই শিক্ষাবিদ আরও বলেন, যারা মধ্যবিত্ত তারাও এই উচ্চবিত্তদের দেখে এই রাস্তায় যাওয়ার চেষ্টা করল। যেহেতু বিত্তবানদের ছেলেমেয়েরা বাংলা মাধ্যমে পড়বে না। ফলে মূলধারাকে উন্নত করার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ দেখা যাবে না। যারা মধ্যবিত্ত বা নিম্ন মধ্যবিত্ত তাদের ছেলেমেয়েরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বে।

ধনীদের সন্তানরা প্রাইভেটে যাবে বা বাইরে যাবে। এখন যারা প্রাইভেটে ভালো পড়ালেখা হচ্ছে না বলে মনে করছেন তারাই সন্তানদের বিদেশে পাঠাচ্ছেন। এটা রাজনৈতিক সমস্যা। রাষ্ট্র যেভাবে সম্পদ পাচারে বাধা দিচ্ছে না, একইভাবে তারা ছেলেমেয়েদের বিদেশ পাঠাতে বাধা দিচ্ছে না।

মেধাবীদের এই বিদেশমুখী প্রবণতার পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে উপযুক্ত চাকরির অনিশ্চয়তা এবং অত্যধিক প্রতিযোগিতা। এ ছাড়া সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতা ইদানীং আরও অন্যতম বড় কারণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। বাংলাদেশের বিভক্ত রাজনৈতিক সংস্কৃতির মধ্যেই ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তৎপর থাকেন ছাত্রছাত্রীরা। কিন্তু ক্ষমতা বা রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পরে সেটি ছাত্রছাত্রীদের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।

রাজনীতিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ঘটনার সূত্র ধরে আবার গুম-খুন বা মামলার ঝুঁকি থাকে। সব মিলিয়ে অভিভাবক মহল তাদের সন্তানদের নিয়ে থাকে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। এ কারণে মধ্যবিত্তরা তাদের সর্বস্ব বিক্রি করে হলেও সন্তানদের বিদেশে পড়ানোর ঝুঁকি নিচ্ছেন।

জুলাই আন্দোলনে শুধু রাজধানী ঢাকা ও তার পার্শ্ববর্তী এলাকায় ৯৬ জন শিক্ষার্থী নিহত হন। এর আগে শেখ হাসিনা সরকারের সাড়ে ১৫ বছরে ‘ফেসবুকে সন্তান কী লিখছে,’ ‘জঙ্গিবাদের অভিযোগ উঠল কি না’, এমন আতঙ্কের পাশাপাশি গুম-খুনের আতঙ্কে থাকতে হতো অভিভাবক মহলকে।

বাংলা একাডেমির সভাপতি ও বিশিষ্ট সমাজচিন্তক অধ্যাপক আবুল কাসেম ফজলুল হক বলেন, কোনো সরকার তাদের (মেধাবীদের) ফেরাতে চায়নি। এখনো চায় না। যারা বাইরে চলে যেতে চায় এটা তাদের অধিকার। আমাদের রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বিধান ঠিকমতো হয় না। আইনের শাসনের ঘাটতি রয়েছে। জোর যার মুল্লুক তার মতো অবস্থা অনেক ক্ষেত্রে। আমাদের দেশাত্মবোধ, জাতীয়তাবোধ গড়ে তুলতে হবে। এ ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নিতে হবে।

গত বছরের জুলাইয়ে চাকরিতে কোটাব্যবস্থার সংস্কার চেয়ে আন্দোলনে নামেন তরুণরা। পরিসংখ্যান বলছে, পর্যাপ্ত চাকরির অভাবে দেশে প্রতিনিয়ত বাড়ছে উচ্চশিক্ষিত বেকারের সংখ্যা। বাংলাদেশ শ্রমশক্তির রিপোর্ট অনুযায়ী বেকারদের মধ্যে ৩১ শতাংশই অনার্স, মাস্টার্স সম্পন্নকারী। ২০১৭ সালে যেখানে উচ্চশিক্ষিত বেকার ছিল ৪ লাখ, তা দ্বিগুণ হয় পাঁচ বছরে।

এই পরিসংখ্যানের সত্যতা পাওয়া যায় সরকারি চাকরিতে আবেদন দেখলে। সর্বশেষ বিসিএস ৪৭তম প্রিলিমিনারিতে অংশ নিতে আবেদন করেছেন ৩ লাখ ৭৪ হাজার ৭৪৭ জন। আগের দুই বিসিএসও এ সংখ্যা ছিল ৩ লাখের বেশি।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে অনেক নিয়োগের ক্ষেত্রেও রাজনৈতিক মতাদর্শ বিবেচনায় নেয়া হয়। এখনো গ্রহণযোগ্য কোনো পদ্ধতিই নেই। নিজেদের অনুগত ও পছন্দের লোকদের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ দেওয়ার অভিযোগ দীর্ঘদিনের। এ কারণে মানসম্পন্ন শিক্ষকের অভাব দেখা দিচ্ছে। উপযুক্ত শিক্ষক না থাকার এ আলোচনা সর্বত্র প্রতিষ্ঠা লাভ করায় অনেক মেধাবীই দেশ ছাড়তে বাধ্য হচ্ছেন।
দেখা গেছে, বাংলাদেশ থেকে বিদেশে পড়াশোনা করে পরবর্তী সময়ে তারা বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক হিসেবে নিয়োগ পান। কিন্তু তারা এই দেশে শিক্ষক হওয়ার জন্য বিবেচিত হন না। অনেক ক্ষেত্রে অনিয়মের শিকার হন। আবার যারা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন, তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার অভাবে গবেষণাসহ অন্য কাজ যথাযথভাবে করতে পারেন না। বিদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে অ্যাকাডেমিক পরিবেশ, সুযোগ-সুবিধা ও মান দেশের তুলনায় অনেক বেশি। ফলে অনেকে শিক্ষাছুটি নিয়ে বিদেশে পড়তে গিয়েও ফেরত আসেন না। যার কারণে তাদের পেছনে করা রাষ্ট্রের বিনিয়োগও বিফলে যাচ্ছে।

বাংলাদেশের অনেকেই গুগল, নাসা, মাইক্রোসফটসহ বিদেশে বিভিন্ন মাল্টিন্যাশনাল কোম্পানিতে চাকরি পাচ্ছেন, যাদের বেতন কাঠামো বাংলাদেশে প্রথম শ্রেণির যেকোনো চাকরির তুলনায় কয়েক গুণ। এর সুবিধা হলো পড়াশোনা করে ছেলেমেয়েরা বিদেশে সফলভাবে দাঁড়াতে পারলে অনেক ক্ষেত্রেই মা-বাবা বা আত্মীয়স্বজনকে সে দেশে স্থায়ীভাবে বসবাসের সুযোগ পান। সব মিলিয়ে নিশ্চিত জীবনের আশায় মেধাবীরা দেশ ছাড়ছেন।

আন্ডারগ্র্যাজুয়েট করতেও বিদেশে

দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ল্যাব ও গবেষণাসহ অন্য সুবিধাগুলো কম। একাধিক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও সেগুলোর মান তলানিতে। নতুন স্থাপিত কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস এখনো ভাড়া বাসায়। নেই দক্ষ শিক্ষক। অনেক ক্ষেত্রে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় থেকেও কম সুযোগ-সুবিধা বিদ্যমান।

অন্যদিকে বিদেশে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাগ্রহণ শেষে উচ্চ বেতনে তারা চাকরি লাভ করেন। অনেকে এমন বেতন পান যেটি বাংলাদেশে শীর্ষস্থানীয় চাকরির তুলনায় বহু গুণ বেশি। এর সঙ্গে আরকটি সুবিধা হলো সন্তান বিদেশে ভালো বেতনে চাকরি করলে অনেক ক্ষেত্রে দেশ থেকে তার অভিভাবক বা আত্মীয়স্বজনরা সেখানে বসবাসের সুযোগ পান। এসব কারণে সামর্থ্যবানরা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট করতেই ছেলেমেয়েদের আজকাল বিদেশে পাঠিয়ে দিচ্ছেন। মান কমে যাওয়ায় রাজধানীর অনেক কলেজে এখন শিক্ষার্থী কমে যাচ্ছে। তারা ইংরেজি মাধ্যমের দিকে ঝুঁকছেন।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় যদি শিক্ষাব্যবস্থার মান বাড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয় তথা বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণার পরিবেশ, চাকরির সুযোগ বাড়ানো হয়, তাহলেই বিদেশমুখী প্রবণতা কমে আসবে। বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন গঠন করলেও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা সংস্কার কমিশন করেনি। এটাকে জাতীয় ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করেছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য।

মেধাবীদের ফেরাতে সরকারি উদ্যোগ প্রয়োজন

সম্প্রতি বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরীর একটি প্রেজেন্টেশন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচিত হয়। অনেকেই মনে করছেন, আশিক চৌধুরী দায়িত্ব নেয়ার পর থেকেই প্রতিষ্ঠানটি সর্বত্র আলোচিত হচ্ছে। কিন্তু আশিক চৌধুরী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে ডিগ্রি লাভ করেন। পরে লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকেও ডিগ্রি নেন। কর্মরত ছিলেন সিঙ্গাপুরে বহুজাতিক দ্য হংকং অ্যান্ড সাংহাই ব্যাংকিং করপোরেশনের (এইচএসবিসি) রিয়েল অ্যাসেট ফাইন্যান্স বিভাগের সহযোগী পরিচালক হিসেবে। প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের ফোন কল পেয়ে দেশের বিনিয়োগ বাড়ানোর মতো গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব নেন।

শুধু আশিক চৌধুরীই নন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে অনেক যোগ্যতাসম্পন্ন ও মেধাবী বাংলাদেশি রয়েছেন। যারা চাইলে দেশের বিভিন্ন সেক্টরে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন। সচেতন সমাজ মনে করছে, পাচার হওয়া টাকা ফিরিয়ে আনতে যেমন উদ্যোগ নেওয়া হয়, তেমনি মেধাবীদেরও ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নেওয়া দরকার। তাহলে যোগ্যরা দেশ গঠনে নেতৃত্ব দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের শিক্ষা উপদেষ্টা ও গণসাক্ষরতা অভিযানের নির্বাহী পরিচালক রাশেদা কে চৌধূরী বলেন, মেধা পাচারের বিষয়টা পৃথিবীর উন্নয়নশীল বেশির ভাগ দেশেই কম-বেশি আছে। ফিলিপিন্স থেকে শুরু করে মধ্যম আয়ের দেশেও আছে। তবে কেউ কেউ রিভার্স করেছে। ভারত কিন্তু এটা করছে। তাদের বেশির ভাগ ফেরত আসছে। যারা পড়তে গিয়েছিলেন তারা যোগ্য হয়েই দেশে ফিরে এসেছেন। কিন্তু আমাদের এখানে উল্টো চিত্র।

তিনি বলেন, মধ্যবিত্তরা শুধু লেখাপড়া বাইরে ভালো বলে যান না, উচ্চতর ডিগ্রি নেয়া শেষে কর্মসংস্থানের কথা চিন্তা করেন। দেশে এখন শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা বাড়ছে। তারা ভাবছেন বাইরে গেলে কিছু একটা করতে পারবেন। শিক্ষার মান এবং কর্মসংস্থান নিয়ে চিন্তা তো রয়েছে। এখন উদ্যোক্তা হওয়ার জন্য বলা হচ্ছে, কিন্তু সেটাতেও পর্যাপ্ত সুযোগ কিংবা পরিবেশ নেই। এই পরিবেশ যদি আমরা তৈরি করতে পারি তাহলে আগামীতে ভালো কিছু হবে।

ভিন্ন দৈনিক।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!