চিকিৎসার নামে বছরে দেশ থেকেই চলে যাচ্ছে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ! 

  • আপডেট সময় বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ১৭ পাঠক

দিশারী ডেস্ক।। ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।

সম্প্রতি ভারতের চিকিৎসা নিয়ে দেশে ফিরে এক রোগী জানালেন, সেখানেও এখন চিকিৎসার নামে শুরু হয়েছে হরেক রকম প্রতারনা। চিকিৎসক সেজে রোগী দেখলেও অনেকেই রয়েছে ভুয়া পদবীধারী। জানালেন, সেখনকার বেসরকারী হাসপাতালের সামনে এখন দালাল গিজগিজ করছে। যে কোন বিষয়ে দালালই সর্বাগ্রে এগিয়ে এসে দালালীতে জড়ায়।

এছাড়া সেখানেও রয়েছে রোগ সনাক্তের নামে হরেক রকম যন্ত্রণা। ফলে আর্থিক দৈন্যতার চিন্তা না করে ভারতে চিকিৎসা নিয়েও এদেশের অনেক রোগীর ভাগ্যে কোন সুফল জুটেনা। এক রোগী জানান, ঢাকার চিকিৎসকেরা  তার রোগের চিকিৎসায় অপারেশন করতে পরামর্শ দেন। তিনি ধারকর্জ করে ভারতে গেলে, সেখানকার চিকিৎসকেরাও একই আওয়াজ তোলেন। এরপর তিনি দেশে এসেই ঢাকার একটি বেসরকারী হাসপাতালে চিকিৎসায় রয়েছেন।

——————————————————

হাসপাতাল বিড়ম্বনায় রোগীরা বিদেশমুখী

——————————————————

দেশের সরকারি হাসপাতালগুলোতে চিকিৎসা নিতে আসা রোগীদের বড় একটি অংশকে ভর্তি হওয়ার জন্য, একটি সিটের জন্য অপেক্ষা করতে হয় দিনের পর দিন। কোথাও নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি রোগী, কোথাও মেঝে-বারান্দা-করিডরেও মিলছে না জায়গা। জরুরি বিভাগ থেকে ওয়ার্ডে স্থানান্তরের অপেক্ষায়ও দীর্ঘ সময় পার হয়ে যায় অনেক রোগীর। আবার বেসরকারি হাসপাতালের গলাকাটা চিকিৎসা ব্যয় মিটাতে নিঃস্ব হয়ে যায় অনেক পরিবার। এসব ঝামেলা এড়াতে চিকিৎসাসেবা পেতে প্রতিদিনই বাড়ছে রোগীদের বিদেশমুখী প্রবণতা।

——————————————————————————————————————–

ওয়ার্ল্ড ট্রেড অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউটি) তথ্যমতে, দেশের প্রায় ৪৯ শতাংশ মানুষই মানসম্মত চিকিৎসা পাচ্ছে না। ফলে পার্শ্ববর্তী দেশগুলো যেমন— ভারত, থাইল্যান্ড, সিঙ্গাপুরে চলে যাচ্ছেন রোগীরা। এতে করে বছরে দেশ থেকে চলে যাচ্ছে ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। দেশে এত এত মেধাবী চিকিৎসক থাকতেও রোগীদের এই বিদেশমুখী প্রবণতার জন্য আক্ষেপ করেছেন খোদ স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনও। কিন্তু শুধু চিকিৎসক নয়, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, সেবার মান বৃদ্ধি, রোগীদের আস্থা ফেরানো, রোগী অনুপাতে চিকিৎসক-নার্স নিয়োগ না হলে এটি রোধ করার সম্ভব নয় বলে মত বিশেষজ্ঞদের। 

———————————————————————————————————————-

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, দেশে বর্তমানে ৫ হাজার ৪৬১টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক রয়েছে, যার মধ্যে ১ হাজার ৮১০টি ঢাকা বিভাগে। পাশাপাশি ৩৬টি স্পেশালাইজড হাসপাতালের মধ্যে ১৯টি ঢাকায় অবস্থিত হওয়ায় দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে বসবাসকারী লোকজন উন্নত স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত ঢাকার ওপর চাপ বাড়ছে। বাস্তবেও মেলে এর নানান প্রমাণ।

বগুড়ার শেরপুর থেকে আসা ষাটোর্ধ্ব রোকেয়া বেগম। একমাত্র মেয়ে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী। দুই ছেলে দেশে থাকলেও ঢাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। রাজধানীর বদ্ধজীবন ভালো না লাগায় বেশির ভাগ সময় গ্রামের বাড়িতেই থাকেন তিনি। বেশ কিছুদিন ধরে বুকের ডান দিকে চিনচিন করে ব্যথা অনুভব করলে জানান প্রবাসী মেয়েকে। সাত সমুদ্র তেরো নদীর ওপার থেকে মেয়ের তখন দিশাহারা অবস্থা। যোগাযোগ করেন দেশের পরিচিত এক হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে। রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে সিনিয়র কনসালটেন্ট হিসেবে রোগী দেখেন তিনি। বিস্তারিত শুনে বললেন মাকে পাঠিয়ে দিন। এরপর থেকেই শুরু হয় বিপত্তি।

———————————————————————————————————————————

প্রথম দেখাতেই রোকেয়া বেগমের কার্ডিয়াক এমআরই করার পরামর্শ দেন তিনি। হাসপাতালের বিলিং কাউন্টার থেকে জানানো হয়, পরীক্ষা ফি ২৭ হাজার ৩০০ টাকা। মায়ের সুস্বাস্থ্যের চিন্তায় দিন পার করা ছেলেমেয়ের কাছে তখন টাকার হিসাব করার সময় নেই। ওই এমআরইসহ রক্ত, প্রস্রাব, ডায়াবেটিসসহ আরও কয়েকটি পরীক্ষা মিলিয়ে ৪৮ হাজার ৩০০ টাকার শুধু পরীক্ষারই সুপারিশ করেন ওই চিকিৎসক। পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে এবার যখন চিকিৎসা দেওয়ার পালা, তখন ১০ হাজার টাকার ঔষধ মাসপ্রতি হিসেবে ছয় মাসের ওষুধ সেবনের পরামর্শ দেন তিনি। ছয় মাসে শুধু ওষুধ কিনতে হবে ৬০ হাজার টাকার। পরীক্ষা-নিরীক্ষা, ওষুধের খরচ মিলিয়ে যখন লাখখানেক টাকা খরচ হয়ে গেছে। ওই পরিবারে তখন বাধে আরেক বিপত্তি।

——————————————————————————————————————————–

খবর : অন্য দৈনিক।

অসুস্থ মায়ের অভিযোগ, এমআরই মেশিনে তার পরীক্ষার জন্য প্রবেশ করানো হয়েছিল, সেই মেশিনটা ভেতর থেকে বের হওয়ার পর থেকে তার শরীরজুড়ে ব্যথা। বয়োবৃদ্ধ ওই নারী জানান, কোনো চিকিৎসক দূরে থাক, সামান্য একজন নার্সও ছিলেন না তাকে যন্ত্রের ভেতরে প্রবেশ করতে সাহায্য করার জন্য। এমন অবস্থায় কিছুটা ক্ষোভ আর অনিশ্চয়তা থেকেই পরিবার থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় অসুস্থ রোকেয়া বেগমের আর কোনো চিকিৎসা বাংলাদেশে করানো যাবে না। সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হবে চিকিৎসার জন্য। সে অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে পাসপোর্ট-ভিসাসহ সব ধরনের প্রক্রিয়া শেষে সিঙ্গাপুরে নিয়ে যাওয়া হয় রোকেয়া বেগমকে। যেখানে বাংলাদেশে প্রায় ৫০ হাজার টাকার শুধু পরীক্ষাই দিয়েছিলেন চিকিৎসক, সেখানে পুরো চিকিৎসাই ৫০ হাজারের মধ্যে শেষ হয়ে যায়। আর ছয় মাসের ওষুধ দেন ওখানকার চিকিৎসকেরা মাত্র ১০ হাজার টাকার। সঙ্গে তাদের মনোমুগ্ধকর ব্যবহারে মানসিকভাবেও চাঙা রোকেয়া বেগম বলেন, এখানকার চিকিৎসকদের কথা শুনে তো আমি বাঁচার আশাই ছেড়ে দিয়েছিলাম। কান্নাকাটি করে প্রবাসী মেয়েকে দেশে এসে আমাকে শেষবারের মতো দেখে যেতে বলেছিলাম। কিন্তু ওই দেশের চিকিৎসকেরা চিকিৎসা তো দিয়েছেনই, পাশাপাশি মনের মধ্যে যে সাহস তৈরি করে দিয়েছেন, তাতে করে আরও অনেক দিন দিব্যি সুস্থভাবে বেঁচে থাকতে পারব।

প্রায় একই অভিজ্ঞতার কথা বলেন ৩২ বছর বয়সের ফরিদপুরের ব্যাংক কর্মী লিলি ফাতেমা (ছদ্মনাম)। কিছুদিন আগেই গর্ভপাত হওয়ায় লিলি পেটের ব্যথায় প্রথমে স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে যান। তিনি জানান, লিলির কিডনিতে ইনফেকশন রয়েছে। তাই এ ব্যথা। অ্যান্টিবায়োটিকসহ নানা রকম ওষুধ দিয়ে এক মাস পরে আসার কথা বলেন। টানা সাত দিন ওষুধ খেয়েও ব্যথা না কমায় আবার যান ওই চিকিৎসকের কাছেই। এবার এন্টিবায়োটিকের পাওয়ার বাড়িয়ে দেওয়া হয়। আর আশ্বস্ত করা হয়, রাতের মধ্যে ব্যথা কমে যাবে। কিন্তু এক সপ্তাহ পেরিয়ে গেলেও এক ফোঁটা ব্যথা না কমায় স্বামীর সঙ্গে আসেন রাজধানীতে। একটি বেসরকারি হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যান দেখাতে। প্রায় ২৫ হাজার টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ওই চিকিৎসক জানান, কিডনি নয়, তার জন্মগত টিবি রয়েছে। তাই এ ব্যথা।

তিনি পরামর্শ দেন একজন বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞকে দেখানোর। অগত্যা বক্ষব্যাধি বিশেষজ্ঞের কাছে যান তিনি। সেই চিকিৎসক আরও ১৪ হাজার টাকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে জানান, টিবি নয় বরং তার লিভার অনেক বড় হয়ে গেছে। আর তাই এ ব্যথা। একজন লিভার বিশেষজ্ঞকে দেখানোর পরামর্শও দেন তিনি।

অনেক খুঁজে রাজধানীর বড় একজন লিভার বিশেষজ্ঞের সিরিয়াল পান এক সপ্তাহ পর। রাজধানীতে থাকা-খাওয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, চিকিৎসকের ফি বাবদ এর মধ্যেই খরচ হয়ে গেছে প্রায় ১ লাখ টাকা। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন— যা থাকে কপালে, এই লিভার বিশেষজ্ঞকে দেখিয়েই ফিরে যাবেন ফরিদপুরে। কিন্তু একি বিপত্তি ! লিভার বিশেষজ্ঞ এতদিনের পুরো চিকিৎসা পদ্ধতিকে ভুল বলে আখ্যায়িত করে আরও কয়েকটি পরীক্ষা শেষে জানালেন তার ওভারিতে কিছু জটিলতা রয়েছে, যার সমাধান দিতে পারে একমাত্র গাইনি চিকিৎসকই। অনেক হয়েছে! ধৈর্যের পরীক্ষার সঙ্গে সঙ্গে হাতে থাকা সব অর্থও এত দিনে শেষ। ফিরে গেলেন ফরিদপুরে। ব্যথা নিয়ে অফিস-সংসারও শুরু করেন।

কিন্তু দিনে দিনে যখন ব্যথার তীব্রতা বাড়ে, তখন সিদ্ধান্ত নেন ঋণ করে হলেও পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে যাবেন চিকিৎসা করাতে। পরিকল্পনা মোতাবেক ভারতের চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে গেলে মাত্র কয়েকটি পরীক্ষা করে চিকিৎসকেরা জানান, যে গর্ভপাত হয়েছিল, তার ভ্রুণটা এখনো জরায়ুতে। আর তাই এই তীব্র ব্যথা। ছোট একটি অস্ত্রোপচার করেই ভ্রুণটা ফেলে দেয়া হয়। তারপর থেকে এখন পর্যন্ত দিব্যি সুস্থ আছেন জানিয়ে লিলি বলেন, ভারতে যাওয়া-আসা, থাকা-খাওয়া, পরীক্ষা-নিরীক্ষা, অস্ত্রোপচারসহ সব মিলিয়ে আমার খরচ হয়েছে মাত্র ৬০ হাজার টাকা। আর বাংলাদেশের এতগুলো চিকিৎসক চিহ্নিতই করতে পারল না আমার কী সমস্যা। তাহলে বলেন, কেন আমার পরিবারের অন্য কেউ যদি অসুস্থ হয় তাকে বাংলাদেশে চিকিৎসা করাব ?

আমার এত পরিচিত সংবাদকর্মীও দেশের চিকিৎসা নিয়ে ভয়ংকর তথ্য দিলেন। ঢাকার নামিদামি হাসপাতালে নানান পরীক্ষার পরও তার রোগ ও চিকিৎসা নিয়ে সমাধান দিতে পারছিলেন না বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। পরে তিনি চেন্নাই গিয়ে ব্লাড ক্যানসারের চিকিৎসা করিয়ে এখন দিব্যি সুস্থ হয়ে চাকরি করছেন। তার মতে, বাংলাদেশ ও চেন্নাইয়ের চিকিৎসাব্যবস্থার মধ্যে রাত-দিনের তফাত।

এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চিকিৎসকদের আন্তরিকতার সঙ্গে রোগীদের সেবা এবং আস্থার জায়গাটা না ফেরাতে পারলে বিদেশমুখীনতা বাড়বে ছাড়া কমবে না।

এমন যখন চিকিৎসার অবস্থা, তখন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেনের আক্ষেপ— দেশে এত মেধাবী চিকিৎসক থাকার পরও চিকিৎসার জন্য রোগীদের ভারত, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন দেশে যেতে হয় কেন ? সম্প্রতি রাজধানীতে একটি অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, আধুনিক প্রযুক্তি, প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা ও প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা গেলে দেশের চিকিৎসকেরাই সফলভাবে উন্নত চিকিৎসাসেবা দিতে পারবেন।

তবে এটি স্বীকার করেন, চিকিৎসার জন্য বিদেশমুখী প্রবণতা কমাতে মানুষের মধ্যে দেশের চিকিৎসাব্যবস্থা নিয়ে আস্থা তৈরি করতে হবে। এতে রোগীদের বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমার পাশাপাশি দেশের বৈদেশিক মুদ্রাও সাশ্রয় হবে। এ জন্য জেলা ও গ্রাম পর্যায়েও জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন। দেশের জনসংখ্যার তুলনায় হাসপাতালের শয্যাসংখ্যা কম স্বীকার করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু শয্যাসংখ্যা বাড়ালেই হবে না, স্বাস্থ্যসেবার পরিধিও বাড়াতে হবে। একই সঙ্গে আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও দক্ষ জনবল নিশ্চিত করতে হবে।

—————————————————————————————————————————–

রোগীদের বিদেশমুখীনতা কমানোর বিষয়ে জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ডা. লেনিন চৌধুরী বলেন, পর্যাপ্ত সুযোগ-সুবিধার স্বল্পতা, চিকিৎসাব্যবস্থায় আস্থার স্বল্পতা, সর্বোপরি স্বস্তির অভাবেই অসংখ্য লোক দেশের বাইরে চিকিৎসাসেবা নিচ্ছে। এগুলো যথাযথভাবে চিহ্নিতকরণ ও সমাধানের মাধ্যমে রোগীদের বিদেশমুখীনতা কমানো সম্ভব। দেশে পরিচালিত ল্যবারেটরিগুলোর মানোন্নয়নের ওপরও তিনি জোর দেন। 

—————————————————————————————————————————

একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারলে রোগীদের বিদেশমুখীনতা কমানো সম্ভব বলে দাবি করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, প্রয়োজনীয় পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে আমরা একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা নিশ্চিত করতে পারি, যার মাধ্যমে বিদেশে যাওয়ার প্রবণতা কমবে, পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা সঞ্চয়ের মাধ্যমে রিজার্ভ বৃদ্ধি সম্ভব। দেশীয় ডাক্তার ও নার্সদের দক্ষতা উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ চলছে। ১ লাখ চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের ঘোষণা এসেছে। সব মিলিয়ে এ অবস্থা আর বেশি দিন থাকবে না বলে আমি মনে করি।

সংবাদটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

এ বিভাগের আরো সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *