দিশারী ডেস্ক।। ৬ অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
নোয়াখালী সদরের দাদপুরের হুগলি, কাশিপুর ও বারাহিপুরে আপন ভাইয়ের সম্পত্তি দখল করতে মরিয়া হওয়ার অভিযোগ ওঠছে বোন রোকছেনা আক্তার পারুলের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ভাই মিজানুর রহমান সুধারাম থানায় সাধারণ ডায়েরী রুজু করেছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, তার আপন বোনের জামাতা গোলাম সারওয়ার, ভাগিনা রনি সারোয়ার, সনি সারোয়ার, জনি সারওয়ার, বাবু সারওয়ার, তারেক সারওয়ার এ সম্পত্তি দখলে নানামুখী অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছেন। তারা তাকে বিভিন্ন মাধ্যমে ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন।

ইতোমধ্যে, তারা খলিফার হাটে মিজানুর রহমানের মালিকীয় ও ভোগদখলীয় হৃদয় স্টুডিতে সাইনবোর্ড লগিয়ে দিয়েছেন। একই ব্যানার দেখা গেছে মিজানুরের বসত-ঘর ও বাগানের জায়গাতেও। তিনি জানান, এসব সম্পত্তি তিনি পৈত্রিকসূত্রে মালিক ও ভোগদখলকার রয়েছেন।
তার নামে হাল দলিল ও রেকর্ডদাদীও বিদ্যমান রয়েছে বলে দাবি করেন মিজান। মিজান আরো জানান, তার বাবা জীবদ্দশায় পৃথক-পৃথকভাবে তাকে এবং তার বোন, যে যেখানে যাই প্রাপ্য ছিলেন, তা সরেজমিনে দখলসহ কাগজিকভাবে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, তার বাবার দেয়া দালিলিক সম্পত্তিটুকু মাত্র ভোগ করছেন। এর বাইরে কারো এক ডিসিমেল সম্পত্তিও তার দখলে নেই বলে জানান মিজান।
তিনি বলেন, তার বোন তার বাবার জীবদ্দশায় যাই প্রাপ্য ছিলেন, তাই নিয়ে গেছেন। তবে এ বিষয়ে গোলাম সারওয়ারের পরিবারের সদস্যরা দাবি করেন, এসব সহায় সম্পত্তিতে তাদেরও কাগজিক অধিকার রয়েছে। তিনি ওই দলিলসমূহকে মানতে রাজি নন বলে জানান।
মিজান আরো জানান, তাকে এবং তার বাবাকে না জানিয়ে সম্পূর্ণ গোপনীয়ভাবে ৫ বোনের মধ্যে ৪ বোনই মায়ের সম্পত্তি আত্মসাত করে তাকে সম্পত্তির অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছেন। মায়ের সেসব সম্পত্তিতে মিজান নিজেকে হকদার দাবি করেন।
তবে ইতোপূর্বে এসব জমি জমা সংক্রান্ত বিষয়াদী নিয়ে একাধিকবার সামাজিক বিচার ব্যবস্থায়ও মিজানকে সহিশুদ্ধ ও সম্পত্তির মালিক বলে ঘোষণা করেছেন স্থানীয় সালিশদাররা। সরেজমিনে গেলে তারা বলেন, মিজান ও তার বোনের মধ্যকার সম্পত্তির বিরোধ আগেই নিষ্পন্ন হয়ে গেছে বলে জানান রয়েছে তাদের। তারা বলেন, সম্পত্তি প্রতিপক্ষের মালিকানায় নেই বলেই নতুন করে দখল প্রমাণের স্বার্থে ব্যানার লাগানো হয়েছে। এটা সম্পূর্ণ অন্যায় ও অবৈধ দখলদারিত্ব বলে মনে করেন তারা।

Leave a Reply