দিশারী ডেস্ক। ২৫ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ।।
নোয়াখালীর আবাসিক এলাকায় বিপর্যস্ত সামাজিকতা নিয়ে অভিযোগ করেছেন এক নারী। তিনি জানান, এ এলাকায় কতেক ফ্ল্যাটের বাসা ভাড়া নিয়ে কতেক যুবতি দিনরাত অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িয়ে রয়েছেন। একইসাথে, আবাসিক এলাকার পাশের কতেক বাসা, বাড়ির বিষয়েও অভিযোগ রয়েছে তার।
সেসব নারীর কাছে সংঘটিত অসামাজিক কার্যকলাপ সংঘটনও একটি নিয়মিত ও নির্ধারতি পেশা বলেও অভিযোগ করেন তিনি।
ওই নারী নিজেকে ভুক্তভোগী সম্প্রদায়ের মানুষ হিসেবে দাবি করে অভিযোগ করেন, নিরাময় হসপিটালের ইয়ালো রোড়ের গলিতে জনৈক নারীর ফ্ল্যাটেও এমন অসামাজিক কার্যকলাপ সংঘটিত হচ্ছে অহরহ। এছাড়া বোরকা পরিহিত ছদ্মবেশি কতেক নারীও এমন অসাধু কার্যকলাপে জড়িত রয়েছেন বলে অভিযোগ করছেন তিনি। তিনি জানান, কোন কোন নারী এর সর্দারও। তার অধীনে রয়েছে একাধিক কর্মী।
একইভাবে, এর সাথেও সমাজের কতেক পেশাজীবি নামীদামী মানুষও খদ্দের হিসেবে জড়িত থাকার কথা জানান ওই নারী।
তাছাড়া নোয়াখালীর মাইজদী ও চৌমুহনীতে কতেক আবাসিক হোটেলেও এখনো অসামাজিক কার্যকলাপ বন্ধ হয়নি বলে অভিযোগ রয়েছে তার।
এদিকে, জেলার সোনাপুরের আবাসিক হোটেল নামের যে ক’টি হোটেল রয়েছে, সেখানেও চলছে নানা অসামাজিক কারবার। এছাড়া এসব হোটেল ইয়াবা কারবারীদের নিরাপদ আস্তানা হিসেবেও পরিচিতি রয়েছে।
তবে একশ্রেণীর স্বামী পরিত্যক্ত নারীরাই এমন অসামাজিক কারবারে জড়িয়ে থাকার কথা জানা গেছে। অন্যরা স্বামী প্রবাসে থাকার সুযোগে নিজেদের স্বামী, স্ত্রী পরিচয় দিয়ে এসব হোটেলে করছেন এমন ব্যাভিচার। আবার অনেক যুবক নিজেকে অবিবাহিত পরিচয় দিয়ে প্রবাসী নারীদের নানা ছলনার বলয়ে সর্বস্ব হাতিয়ে নিচ্ছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে।
এ বিষয়ে নোয়াখালীর গোয়েন্দা পুলিশের নিয়মিত অভিযান দাবি করছেন সমাজের সুশীল নাগরিকেরা।
Leave a Reply